• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৪:০০

অভিযোগ করায় মাদরাসা শিক্ষককে বেধড়ক পেটালেন চেয়ারম্যান!


Share with friends

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজে’লার এক মাদরাসা শিক্ষক মাওলানা আজিজুর রহমানকে বেধড়ক পি’টিয়ে জ’খম করেছেন ওই উপজে’লার রাজামেহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকার। আ’হত ওই শিক্ষককে শুক্রবার পার্শ্ববর্তী চান্দিনা উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষক আজিজুর রহমান একই ইউনিয়নের বেতরা দাখিল মাদরাসার সহকারী মৌলভী এবং বেতরা গ্রামের মৃ’ত বজলুর রহমানের ছে’লে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আ’হত ওই শিক্ষক জানান, পারিবারিক কলহের কারণে ৪ সন্তানের জননী আমেনা আক্তার গত বৃহস্পতিবার সকালে তার বি’রুদ্ধে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নিকট মৌখিকভাবে অ’ভিযোগ করেন। পরে দুপুরের দিকে স্থানীয় গ্রামপু’লিশ আবদুল মতিন ওই শিক্ষককে বাড়ি থেকে চেয়ারম্যানের বাড়িতে নিয়ে যান।

শিক্ষক আরও জানান, তিনি চেয়ারম্যানের বাড়িতে যাওয়ার সময় তার মে’য়ে দাখিল শ্রেণির ছা’ত্রী আরিফাতুন নুর এবং চাচাতো ভাই আবদুস ছামা’দকে সাথে নিয়ে যান। চেয়ারম্যানের বাড়িতে যাওয়ার পর তার কোন বক্তব্য না শুনেই চেয়ারম্যান লোহা ও কাঠের একটি লা’ঠি দিয়ে তাকে বেধড়ক মা’রধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি চেয়ারম্যানের পায়ে ধরে ক্ষমা চান এবং পরে সেখানে উপস্থিত তার মে’য়ে চি’ৎকার করেও তাকে রক্ষা করতে পারেনি। এ সময় ইউপি সদস্য নুরুল ইস’লামসহ অন্যান্য লোকজনও চেয়ারম্যানকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

আ’হত শিক্ষক জানান, চেয়ারম্যানের এলোপাতারি পি’টুনিতে তার পুরো শরীর এবং শরীরের নিন্মাংশে জ’খম হয়। প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে শুক্রবার তার বড় ভাই একই মাদরাসার শিক্ষক ফজলুর রহমান তাকে চান্দিনা উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে ফজলুর রহমান জানান, কোনো কথা না শুনে বিচারের নামে চেয়ারম্যান পি’টিয়ে নি’র্মম নি’র্যাতন চালিয়ে আমা’র ভাইয়ের পুরো শরীর জ’খম করেছে। চিকিৎসা শেষে এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মা’রধর করার বিষয়ে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, ওই শিক্ষকের স্ত্রী’র বিভিন্ন অ’ভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি তাকে মা’রধর করেছি। তার স্ত্রী’ থা’নায় মা’মলা করলে গ্রে’ফতার হতো।

এলাকার সম্মান যেত। তাই আমি এভাবে কিছু মা’রধর করে বিচার করেছি। দেবিদ্বার থা’নার ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, এ বিষয়ে এখনো থা’নায় কেউ অ’ভিযোগ দাখিল করেনি। অ’ভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।