• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২০ | ২৪ শ্রাবণ, ১৪২৭ | ১৮ই জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি

সন্ধ্যা ৭:০৪

অযথা মাস্ক-স্যানিটাইজার ব্যবহার পাগলামি: প্রধানমন্ত্রী


Share with friends

অযথা মাস্ক পরা ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করা পাগলামি ছাড়া আর কিছু নয় বলে মন্তব্য করে করোনাভাইরাস নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Home2 Side ads

সোমবার সন্ধ‌্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের পূর্বে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

Home2 Side ads
Home2 Side ads

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঘরের মধ্যে মাস্ক পরে ঘোরার দরকার নাই। যদি কেউ নিজে সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয় তাহলে মাস্ক পরা দরকার এই কারণে, যে তার দ্বারা অন্য কেউ যাতে সংক্রমিত না হয়, সে জন্য সাবধানে চলা ভালো।’

‘এখন সবাই উন্মাদ হয়ে যাচ্ছে, সবাই মাক্স আর সেনিটাইজার কেনার জন্য। সবাই যে যার মতো একগাদা করে কিনে রাখছে। এগুলো পাগলামি ছাড়া আর কিছু না। এগুলো করার কোনো দরকার নেই।’

তিনি বলেন, ‘হাতকে সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। জীবানুর জন্য হাত পরিষ্কার রাখা দরকার। এই দিকটি ভালোভাবে করা দরকার। অহেতুক মাস্ক পরার দরকার নেই। তবে সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে কয়েকটি গণমাধ্যম আতঙ্ক ছড়াচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অযথা মাস্ক কিনে জমা করে রাখার, স্যানিটাইজার কিনে জমা করে রাখা, টিস্যু কিনে জমা করে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। এগুলো একদম কোনো কাজেই লাগবে না। একসপ্তাহ পরে হয় ফেলে দিতে হবে বা বিক্রি করে দিতে হবে। এগুলোরও একটা সময় থাকে। কোনো কোনো পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে, আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্ট করছে। আমি জানি না, তাদের এসব বিক্রি করার কোনো কোম্পানি বা এজেন্সি আছে কি না, যার জন্য তারা এগুলো কিনতে বলছে। এটাও থাকতে পারে যে এই সময়ে কিছু কিনে নিল।’

করোনাভাইরাসে বৃদ্ধদের ভয় থাকলেও যুবকদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের ১০৪ দেশে ১০৫৫৭৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এদের মধ্যে ৩৫৮৬ জনের মতো মৃত্যুবরণ করেছে। আর ৬০ হাজারের চেয়ে বেশি মানুষ ইতোমধ্যে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি গিয়েছে। এখানে মৃত্যুর হার তিন ভাগের মত। এখানে এটা যে প্রাণঘাতী একটা রোগ, বা মৃত্যু অবধারিত রোগ এমন কিছু তা না। চিকিৎসা নিলে সুস্থ হ্ওয়া যায়।’

করোনাভাইরাস মোকাবিলায়া সব ধরনের প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য সব জায়গা প্রস্তুত। ঢাকায় আমরা তিনটি হাসপাতাল সুনির্দিষ্ট করে রেখেছি। আর সারা দেশের জেলা উপজেলার ডাক্তার নার্সদের ট্রেনিং দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া আছে। জেলা উপজেলায় সতর্ক থাকার নির্দেশনা আমরা দিয়েছি।’

‘দেশের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরের সব জায়গায় আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করেছি। এটার প্রভাব যাতে বাংলাদেশে না পরে, এজন্য যথাযথ ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি।’

single page ads 3