• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ২:২১

করোনায় বিশ্বে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার, আক্রান্ত সাড়ে ২২ লাখ


Share with friends

প্রকাশিত: ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ, ১৯ এপ্রিল ২০২০

প্রাণঘাতী করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে, ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৫০ জনে। আক্রান্ত প্রায় সাড়ে ২২ লাখ। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, ৫ লাখ ৬৯ হাজারের বেশি মানুষ। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। ইউরোপেও থেমে নেই মৃত্যুর মিছিল। ইতালির সান পাওলো হাসপাতালের নার্স ক্রিস্টিনা সেতেম্ব্রেসের পুরো সময় কাটে করোনা রোগিদের সাথে। কাজের ফাকে সহকর্মীদের সাথে খাবার খান। আবার নামতে হয় করোনা যুদ্ধে। সেবিকা ক্রিস্টিনা সেতেম্ব্রেসে জানান, ছোঁয়াচে রোগের সাথে যুদ্ধ। তাই নিজেকে আইসোলেশনে রাখতে হচ্ছে। দুই মাসের বেশি সময় ধরে আমার পরিবারের সদস্য ও ছোট মেয়েটাকে দেখতে পাই না। ওকে নানির বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে হাজারও মানুষের নাম। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। এসবের মধ্যেই ভাইরাসটি চীন ইচ্ছা করে ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটির প্রেসিডেন্টের দাবি, চীন প্রকৃত প্রাণহানির সংখ্যা গোপন করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, প্রতি রাতেই শুনছি আমাদের দেশে প্রাণহানি সবচেয়ে বেশি। তবে মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে থাকা উচিত চীনের। তারা উহানের মৃতের সংখ্যা হঠাৎ করে বাড়িয়েছে। অন্য প্রদেশগুলোর অবস্থাও আসলে এরকমই।

স্পেন ও ফ্রান্স মৃত্যুপুরি। প্রাণহানির সংখ্যা কিছুটা ওঠানামা করলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। স্পেনের শীর্ষ স্পোর্টস মেডিসিন হাসপাতাল ক্লিনিকা সেমট্রো এখন করোনা চিকিৎসা কেন্দ্র।

যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর থেকেই, চিকিৎসা নিয়ে নতুন করে ভাবছে কর্তাব্যক্তিরা। সংকট দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা পোশাকের। সরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানে বানানো হচ্ছে অস্থায়ী হাসপাতাল।

আর্জেন্টিনাতে টেকনোপোলিস পার্কে বানানো হয়েছে আড়াই হাজার শয্যার অস্থায়ী হাসপাতাল। করোনায় আক্রান্ত যেসব রোগী প্রায় সুস্থ হওয়ার পথে তাদের রাখা হবে এই হাসপাতালে। প্রতিবেশি দেশ ভারতে আক্রান্তের পাশাপাশি বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যা। পাকিস্তানে প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও ঠেকানো যাচ্ছে না করোনার সংক্রমণ।

কেএ/ডিএ