• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৪:৩০

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন যেসব জেলার যতজন আক্রান্ত


Share with friends

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮ জন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮২ জনে। এর মধ্যে ঢাকার ১৪ জন এবং নারায়ণগঞ্জের রয়েছেন ৮ জন। এছাড়া বাকিরা অন্যান্য জেলার। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিটে করোনা নিয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত অনলাইন সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক। এরপরই করোনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি বলেন, ‘দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৫৪ জন মানুষের নমুনা পরীক্ষা করে মোট ৫৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৮২ জন এবং এই ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে। তিনি আরও জানান, আক্রান্তের মধ্যে পুরুষ ৫০ জন এবং মহিলা ৮ জন। দেশে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা ঢাকা জেলায়। দেশে আক্রান্তের ৫২ ভাগ ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। ঢাকা জেলায় ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন এবং নারায়ণগঞ্জে ৮ জন। আক্রান্তের ৭০ ভাগই পুরুষ এবং নারী ৩০ ভাগ। তিনি জানান, গতকাল আরও ৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ফলে মোট সুস্থ হলো ৩৬ জন। এদিকে যে ৩ জন সুস্থ হয়েছেন তাদের মধ্যে নারী ১ জন এবং পুরুষ ২ জন।

এদিকে, গতকাল শুক্রবার সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে নিয়মিত অনলাইন সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানায়, বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৪ জন শনাক্ত হয়েছে এবং ৬ জন মৃত্যুবরণ করেছে। গতকাল পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট করোনা আক্রান্ত মানুষ ছিলেন ৪২৪ জন। মৃত মানুষের সংখ্যা ছিল ২৬ জন। প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস মহামারীতে অচল গোটা বিশ্ব। হু হু করে বাড়ছে আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা। বিশ্বের অন্তত ১৩৬ দেশে চলছে লকডাউন। থেমে নেই মৃত্যুর মিছিল, প্রতি মুহুর্তেই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। করোনায় প্রাণহানি ও অসুস্থদের পরিসংখ্যান রাখা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, শনিবার বেলা ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গোটা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭ লাখ ৭৭০ জন। মারা গেছে ১ লাখ ২ হাজার ৭৮৭ জন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইউরোপ ও আমেরিকায়। বেশিরভাগ মৃত্যু হয়েছে এ দুই মহাদেশে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও স্পেনে প্রতিদিন মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হচ্ছে।