• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৩:৫৭

ঢাকায় নতুন করে ৯টি এলাকা লকডাউন


Share with friends

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী পাওয়ার পর ঢাকার নয়টি এলাকার বিভিন্ন বাড়ি লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পযন্ত ওই এলাকার কেউ বাইরে বের হতে পারবেন না, সেখানে কেউ ঢুকতেও পারবেন না। এদিকে করোনার বিস্তার ঠেকাতে যে এলাকায় রোগী পাওয়া যাচ্ছে, সে এলাকা পুরোপুরি লকডাউন করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যাতে ছোঁয়াচে রোগটি আরো ছড়িয়ে পড়তে না পারে।

সংক্রমণের শুরুর দিকে ঢাকায় মিরপুরের টোলারবাগে রোগী খুঁজে পাওয়ার পর ওই এলাকাটি আগেই লকডাউন করা হয়েছিল। এরপর গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৪১ জনের মধ্যে ২০ জনই ঢাকার বলে নিশ্চিত হওয়ার পর মঙ্গলবার পুরান ঢাকা, মোহাম্ম’দপুর, আদাবর, বছিলা, বাড্ডা ও বসুন্ধ’রা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন ভবন লকডাউন করার ব্যবস্থা নেয় পু’লিশ।

এদিকে পুরান ঢাকায় খাজে দেওয়ান লেনে একটি ম’সজিদ কমিটির সহ-সভাপতি ও এক নারীর নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়ায় ওই এলাকার ২০০ ভবন লকডাউন করা হয়েছে।

চকবাজার থা’নার ওসি মওদুত হাওলাদার মঙ্গলবার বিকেলে গণমাধ্যমকে বলেন,‘যে ম’সজিদ কমিটির সহ-সভাপতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি বাইরে প্রকাশ্যে চলাচল করেছেন এবং বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করেছেন। পাশাপাশি ওই লেনের এক নারী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ওই নারী বাইরে বের হতেন না। তাহলে নিশ্চয়ই তার স্বামী-সন্তান বাইরে থেকে এই ভাইরাস বাসায় এনেছেন।’

এই দুটি ঘটনায় খাজে দেওয়ান লেনে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঘটেছে ধারণা করে ওই লেনের এক ও নম্বর দুই নম্বর গলি লকডাউন করা হয়েছে। এই দুটি গলিতে আনুমানিক দুইশ ভবন রয়েছে জানিয়ে ওসি আরো বলেন,‘আজ (মঙ্গলবার) বিকাল ৫টার পর থেকে কাউকে ঢুকতে এবং বের হতে দেয়া হচ্ছে না। কারও কিছু প্রয়োজন হলে পু’লিশের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

এদিকে মোহাম্ম’দপুর ও আদাবর এলাকার ৬টি এলাকা লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান ডিএমপির মিরপুর জোনের সহকারী কমিশনার রৌশনুল হক সৈকত। তিনি বলেন,‘আইইডিসিআর মোহাম্ম’দপুর-আদাবর এলাকার কয়েকজনের করোনাভাইরাস পজেটিভ পায়। এরপরেই বাসাগুলো চিহ্নিত করে লকডাউন করা হয়।’

এরমধ্যে কৃষি মা’র্কে’টের সামনে, তাজমহল রোড মিনার ম’সজিদ এলাকা, রাজিয়া সুলতানা রোড, বাবর রোড, বছিলা ও আদাবর এলাকার কয়েকটি বাড়ি ও রাস্তা এখন লকডাউন। এসব এলাকা ঘিরে লাল ফিতা, পতাকা লাগিয়ে চলাচলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। ঘনঘন মাইকিং করা হচ্ছে।

এসব এলাকায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর বাড়ি ছাড়াও বাড়ির সামনের রাস্তা ও আশেপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে জানান সহকারী কমিশনার সৈকত।

পাশাপাশি রাজধানীর উত্তর বাড্ডার খানবাগ রোডের এক ব্যক্তির শরীরে নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপর ওই ভবনটি লকডাউন করা হয়। এছাড়াও বসুন্ধ’রা আবাসিক এলাকায় এক নারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা যায়।