• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১৪ আশ্বিন, ১৪২৭ | ১২ই সফর, ১৪৪২ হিজরি

দুপুর ১:১২

নাচের কথা বলে ২০/২২ বছরের তরুণীদের হোটেলে দেহ ব্যবসা করাতো ইভান শাহরিয়ার


Share with friends

দুবাইয়ে ড্যান্সবারের আড়ালে নারী পাচারের অ’ভিযোগে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশের অ’প’রাধ ত’দন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

Home2 Side ads

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রা’ইম ইউনিটের একটি দল রাজধানীর নিকেতনের একটি বাসা থেকে গ্রে’ফতার করে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির অ্যাডিশনাল ডিআইজি শেখ রেজাউল হায়দার।

Home2 Side ads
Home2 Side ads

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘দুবাইয়ে ড্যান্সবারের আড়ালে নারী পাচারের অ’ভিযোগে সম্প্রতি আজম খানসহ পাঁচজনকে গ্রে’ফতার করা হয়। এদের মধ্যে দু’জন আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছেন। জবানব’ন্দিতে উঠে আসে কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগের নাম। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রা’ইম ইউনিট তাকে গ্রে’ফতার করে।’

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল শনিবার সকালেই তাকে আ’দালতে সোপর্দ করে অ’ভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রি’মান্ড আবেদন করা হবে।’

অ’ভিযানে অংশ নেয়া ও মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাম’রুজ্জামান জানান, গ্রে’ফতারকৃত চক্রটি দুবাইয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ থেকে নৃত্যশিল্পী নিয়ে যেতেন। পরে এদের মধ্য থেকে ২/১ জন করে রেখে আসতেন। এই চক্রের সঙ্গে জ’ড়িত কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগ। এ বিষয়ে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তে এবং পূর্বে গ্রে’ফতার আ’সামিদের জবানব’ন্দিতে কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগের জ’ড়িত থাকার তথ্য মিলেছে।

এখানে উল্লেখ্য যে, গত মাসে দুবাই পু’লিশের তথ্যের ভিত্তিতে আজম খানসহ নারী পাচারকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রে’ফতার করে সিআইডি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এই চক্রটি মূলত নৃত্যকেন্দ্রিক। কয়েকজন নৃত্য সংগঠক ও শিল্পী এই চক্রের সঙ্গে জ’ড়িত। তারা দেশের বিভিন্ন নাচের ক্লাব বা সংগঠন থেকে মে’য়েদের সংগ্রহ করে কাজ দেয়ার নামে দুবাই পাঠান। পরে দুবাইয়ের হোটেল ও ড্যান্সবারে তাদেরকে যৌ’নকর্মে বাধ্য করতেন।

চক্রটির বাংলাদেশের মূলহোতা আজমসহ তার দুই সহযোগী ময়না ও মো. আলামিন হোসেন ওরফে ডায়মন্ডকে গ্রে’ফতারের পর সিআইডি জানায়, প্রথমে হোটেলে চাকরি দেয়ার কথা বলে ২০/২২ বছর বয়সী তরুণীদের প্রলুব্ধ করা হতো। বিশ্বস্ততা অর্জনের জন্য বেতন হিসেবে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করা হতো। শুধু তাই নয় দুবাইয়ে যাওয়া-আসা বাবদ সব ধরনের খরচও দিত দালাল চক্র। কিন্তু দুবাই যাওয়ার পরে তাদেরকে হোটেলে জি’ম্মি করা হয়, জো’রপূর্বক দেহ ব্যবসা’সহ ড্যান্সক্লাবে নাচতে বাধ্য করা হয়।

গত আট বছরে এভাবে প্রলুব্ধ করে চাকরির নামে বাংলাদেশের শতাধিক তরুণী-কি’শোরীকে দুবাইয়ে পাচার করা হয়েছে। তাদেরকে দিয়ে প্রস্টিটিউশনে জড়াতে বাধ্য করেছে আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্র।

single page ads 3