• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২১ | ২১ ফাল্গুন, ১৪২৭ | ২২শে রজব, ১৪৪২ হিজরি

রাত ১০:৩৯

বিদেশফেরত যুবকের সঙ্গে পরকীয়া, ঘর ছাড়লেন নারী ইউপি সদস্য


Share with friends

ঢাকার ধাম’রাইয়ে প্রে’মের টানে সীমা আক্তার সুমি নামে এক নারী ইউপি সদস্য স্বামীর ঘর ছেড়েছেন। সুয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সদস্য তিনি। এর আগে ওই একই ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের নারী আসনের সদস্য হামিদা আক্তার গুদি ও প্রিয়শী আক্তার পর’কী’য়া প্রে’মের টানে ঘর ছাড়েন। এ নিয়ে এ ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনের তিনজন সদস্য পর’কী’য়া প্রে’মের টানে স্বামী-সন্তান ও সাজানো সংসার ছেড়ে অন্যের সঙ্গে নতুন করে ঘর বাঁধেন।

Home2 Side ads

এলাকাবাসী ও তার পরিবার জানায়, সুয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চকিদার মো. আনোয়ার হোসেন ১৮ বছর আগে সীমা আক্তার সুমি নামে এক পোশাক শ্রমিককে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর ওই নারী পোশাক শ্রমিক ২০১১ সালে প্রথম ও ২০১৬ সালে দ্বিতীয়বার সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর তার স্ত্রী’র সঙ্গে অন্য জনপ্রতিনিধির পর’কী’য়া প্রে’মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে চাকুরিচ্যুত হন আনোয়ার। পরে তিনি সুয়াপুর বাজারের ব্রিজ পয়েন্টে চায়ের দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন।

Home2 Side ads
Home2 Side ads

এ সুযোগে আনোয়ারের স্ত্রী’ সোমা আক্তার সুমি সাটুরিয়া থা’নার নয়াডিঙ্গি এলাকার বিদেশফেরত রাশেদ নামে এক যুবকের সঙ্গে নতুন করে পর’কী’য়া প্রে’মে জড়ান। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্ত্রী’কে শাসন করেন তার স্বামী। এরই জের ধরে ওই নারী ইউপি সদস্য সোমবার রাতে ওই পর’কী’য়া প্রে’মিক রাশেদের হাত ধরে তিন সন্তান ফেলে রেখে স্বামীর ঘর ছাড়েন। মঙ্গলবার সকালে লোকমা’রফত স্বামীকে তালাকের নোটিশ পৌঁছে দিয়েছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগী চকিদার মো. আনোয়ার হোসেন।

এ ব্যাপারে আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি রাস্তা থেকে নিয়ে একজন পোশাক শ্রমিককে বিয়ে করি। এরপর তাকে সংরক্ষিত নারী আসনে ২ মেম্বার বানাই। অথচ বারবার সে বিভিন্নজনের সঙ্গে পর’কী’য়ায় জড়িয়ে পড়ে। শাসন বারণ করায় অবশেষে তিন সন্তান ফেলে রেখেই সে পর’কী’য়া প্রে’মিক রাশেদের সঙ্গে ঘর ছাড়ল। আবার আমাকে তালাক প্রদানের নোটিশ পৌঁছে দিয়েছে। এর চেয়ে দুঃখ ও লজ্জার আর কি হতে পারে।

জানতে চাইলে সংরক্ষিত নারী সদস্য সুমি বলেন, মানুষের স্বাধীনতা বলে কিছু একটা আছে, আমা’র তাও ছিল না। আমা’র পূর্বের স্বামী আমা’র স্বাধীনতাটুকুও কেড়ে নিয়েছিল। কথায় কথায় আমাকে নি’র্যাতন করত। নানা বিষয়ে আমাকে দোষারোপ করত। কাজেই এবার বিদেশ ফেরত রাশেদের সঙ্গে ইচ্ছা করেই পর’কী’য়ায় জড়াই এবং স্বামীর ঘর ছাড়তে বাধ্য হই। আমি তাকে তালাকের নোটিশ পৌঁছে দিয়েছি। এখন আমি সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন হতে পেরেছি।

single page ads 3