• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৩:০৪

মুন্সীগঞ্জে ত্রাণ দিয়ে আবার জোর করে ফেরত নেয়ার অভিযোগ


Share with friends

করো’না ভাই’রাস সংক্রমণে কর্মহীন হতদরিদ্রের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত ত্রাণের চাউল দিয়ে ঐ চাউল জো’র করে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদ করায় মা’রপিটের শিকার হয়েছে এক হতদরিদ্র।

ঘটনাটি ঘটেছে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজে’লার লতব্দী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে কাটশাগরা গ্রামে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় লতব্দী ইউনিয়নে কাটশাগরা গ্রামের মৃ’ত হোসেন আলীর ছে’লে হতদরিদ্র হাবিবুর রহমান (৬০) কে গত ১২ এপ্রিল লতব্দী ইউনিয়নে ডেকে নিয়ে হাতের টিপ সহি ও ছবি তোলে ত্রান সামগ্রী দিয়ে পরে বাড়ি থেকে ছিনিয়ে নেয় ৯ নং ইউপি সদস্য মিয়ার হোসেন।
এবিষয়ে এলাকায় জানাজানি হলে ২০ এপ্রিল সোমবার রাত আনুমানিক ৮ দিকে ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমানের বাড়ি এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও মে’রে র’ক্তাক্ত জ’খম করে।

ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান অ’ভিযোগ করে বলেন, এই করো’নাভাই’রাস আতঙ্কে আম’রা কর্মহীন হয়ে অসহায় ভাবে খেয়ে না খেয়ে আছি একদিন মিয়া হোসেন আমাকে ডেকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে গিয়ে চেয়ারম্যান সাহেব আমা’র টিপসহি ও ছবি তোলে কিছু ত্রাণ দেন আমি ত্রাণ নিয়ে বাড়ি চলে আসেলে মিয়ার হোসেন মেম্বার ঐ ত্রাণ আমা’র বাড়ি থেকে ধমক নিয়ে যায় আমি এই ব্যাপারে এলাকার সবাই কে জানাইলে মেম্বার এ কথা শুনে রেগে আমা’র বাড়ি এসে আমাকে অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে চড় থাপ্পড় ও কিলঘুশি মে’রে শাসিয়ে চলে যায় ।

এবিষয়ে লতব্দী ইউনিয়ন ৯ নং ইউপি সদস্য মিয়ার হোসেন বলেন, এই ত্রাণের নাম ভুল হওয়ায় আমি নিয়ে যাই আর যার নামে এই ত্রাণ তাকে দিয়ে দেই
লতব্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম সোহরাব হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি এবিষয়ে শুনেছি এটা খুবই খা’রাপ কাজ করেছে ইউপি সদস্য, আমি এর সঠিক বিচার করে সমাধান করে দেবো।