• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

বিকাল ৫:২০

রংপুরের কাউনিয়ায় মরিচের মণ ১২০ টাকা!


Share with friends

ম’রিচ চাষীরা অর্থ সংকটের কবলে পড়ে এক মণ ম’রিচ বিক্রি বিক্রি করছেন ১০০ শত থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি করছে। অথচ কয়েক সপ্তাহ আগেও ম’রিচের মণ ছিলো ৮’শ থেকে ১ হাজার টাকা।তদের দাবি রংপুর অঞ্চলে ম’রিচ সংরক্ষণের জন্য হিমাগার স্থাপনের।

রংপুরের কাউনিয়া উপজে’লার তিস্তা নদী বেষ্টিত ২৯টি গ্রামের চরাঞ্চলে উৎপাদিত ম’রিচ স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বাজারে যায়। এবারে আবহাওয়া অনুকূল ম’রিচের বাম্পার ফলন হলেও করো’না দুর্যোগে দাম না থাকায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে প্রান্তিক ম’রিচ চাষীরা।

কাউনিয়া উপজে’লা কৃষি বিভাগের সূত্রমতে, গত বছরের চেয়ে এ বছর ৮৫ হেক্টর বেশি জমিতে ম’রিচের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে এ উপজে’লায় ম’রিচ চাষের লক্ষ্য মাত্রা ছিলো ৩’শ ২৫ হেক্টর কিন্তু চাষ হয়েছে ৪’শ ২০ হেক্টর জমিতে। গত বছর ম’রিচের চাষ হয়ে ছিলো ৩’শ ২০ হেক্টর জমিতে।

উপজে’লার প্রা’ণনাথ চরএলাকার ম’রিচ চাষী ওসমান আলী বলেন,এ বছর ভাদ্র-আশ্বিন মাসে তিন একর জমিতে ফরিদপুরী জাতের ম’রিচ চাষ করেছি। প্রয়োজনীয় সার, কী’টনাশক ও পরিচর্যার কারণে ফলনও ভাল হয়েছে। কিন্তু বাজার ক্রেতা না থাকায় বাধ্য হয়ে প্রতি মণ ম’রিচ অর্থ সংকটের কারনে ১’শ থেকে ১শ” ২০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। একই কথা জানালেন বল্লভবিষু চরের ম’রিচ চাষী আব্দুল মালেক ও জগদীশ চন্দ্র।

চাষীদের দাবি, রংপুর অঞ্চলে ম’রিচ সংরক্ষণের জন্য সরকারি বা বেসরকারি ভাবে কোন হিমাগার না থাকায় প্রান্তিক চাষীরা বাধ্য হয়েও কম দামে ম’রিচ বিক্রি করতে হয়।

কাউনিয়া তকিপল হাটে ম’রিচ কেনাবেচার সাথে সম্পৃক্ত রবিউল ইস’লাম বলেন, ক্ষেত থেকে ম’রিচ ফরিয়া এবং আড়ৎদারের হাত বদল হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। সম্প্রতি করো’না প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনায় মোকামে স্বল্প সময় দোকানে বেচাকেনা ও পরিবহন সংকটের ফলে ম’রিচের চাহিদা কমে গেছে।

উপজে’লা কৃষি কর্মক’র্তা সাইফুল আলম জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং পরিশোধীত বীজ, প্রয়োজনীয় সার-কী’টনাশক পাওয়ায় চলতি মৌসুমে ম’রিচের বাম্পার ফলন হয়েছে।