• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ২:৫৬

রবিবার থেকে ব্যাংকে লেনদেনের সময় বাড়ছে


Share with friends

করো’না ভাই’রাসের সংক্রমণ রোধে চলমান সাধারণ ছুটির সময় দেশের বাণিজ্যিক এলাকা ঢাকার মতিঝিল ও দিলকুশা এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদে অবস্থিত সব তফসিলি ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একইসঙ্গে এসব এলাকায়

ব্যাংকগুলোর লেনদেন ও খোলা রাখার সময়ও বাড়ানো হয়েছে। আগামী রবিবার থেকে এ

নির্দেশনা কার্যকর হবে। নতুন সময় সূচি অনুযায়ী, এসব এলাকার ব্যাংকগুলোতে আগামী রবিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গ্রাহক লেনদেন করতে পারবেন। আর ব্যাংক

খোলা থাকবে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

দেশের তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করো’না ভাই’রাস সংক্রমণ রোধকল্পে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে দেশের বিভিন্ন বন্দরের (সমুদ্র, স্থল ও বিমান) মাধ্যমে আম’দানি-রফতানি কার্যক্রমে

সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে এসব এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস্ এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা/বুথসমূহ স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর বা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনাক্রমে সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল তা বহাল রয়েছে।

পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরে সৃষ্ট পণ্য জট নিরসনে আম’দানিকৃত পণ্য দ্রুত খালাসের মাধ্যমে অধিকতর সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে দেশের প্রধান দুটি বাণিজ্যিক এলাকা তথা ঢাকার মতিঝিল ও দিলকুশা এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকসমূহের শাখার বিষয়ে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, এর আগে ১৬ এপ্রিল জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার

নং-১৩ এর অন্যান্য সকল নির্দেশনা অ’পরিবর্তিত থাকবে। প্রধান দুটি বাণিজ্যিক এলাকা

ছাড়া দেশের অন্য এলাকায় সীমিত আকারে ব্যাংকগুলো খোলা থাকবে। এসব ব্যাংকের শাখায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গ্রাহক লেনদেন করতে পারবে। আর ব্যাংক খোলা থাকবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। পাশাপাশি করো’নার কারণে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন

যেসব এলাকা লকডাউন করবে ওই এলাকায় সব ব্যাংকের সব শাখা বন্ধ থাকবে। এছাড়া ব্যাংকিং লেনদেনের জন্য খোলা রাখা শাখা ও প্রধান কার্যালয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী) বজায় রাখার বিষয়ে নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।