• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ১২:১২

লোক লজ্জার ভয়ে বলতে পারছেন না, মধ্যবিত্তদের চাপা কান্না


Share with friends

নভেল করো’না ভাই’রাসের ছো’বলে থ’মকে গেছে গোটা বিশ্ব। প্রভা’ব ঠে’কাতে বিশ্বের অনেক দেশ লকডাউন করা হয়েছে। বাংলাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলেও তৈরি হয়েছে অঘো’ষিত লকডা’উন পরিস্থিতি। ভাই’রাসের বিস্তার রোধে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলেও পরে আবার তা বাড়ানো হয়েছে।

ফলে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ, অফিস-আ’দালত, কল-কারখানা, শপিংমলসহ সকল ধরনের যানবাহন। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানপাট ও পণ্যবাহী যান চলাচল করতে পারছে। একদিকে উচ্চবিত্তরা বিলাসিতায় ছুটি কা’টাচ্ছেন অ’পরদিকে নিম্মবিত্ত পরিবারের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তবে চ’র’ম অ’সুবিধায় থাকলেও কাউকে কিছু বলতে পারছেন না মধ্যবিত্তরা। লোক লজ্জার ভ’য়ে তারা চাপা কা’ন্না কাঁদছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, একটি গাড়ির শো-রুমে চাকরি করেন তিনি। বেতন বেশ ভালোই। এক ছে’লে ও স্ত্রী’কে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। কিন্তু করো’নার প্রাদু’র্ভাবে শো-রুম ব’ন্ধ। বেতনও ব’ন্ধ। এই অবস্থায় চিন্তায় তার মা’থায় হাত। কী’ করবেন, কী’ করা উচিত, ভেবে উঠতে পারছেন না। সংসার চালাতে যু’দ্ধ করতে হচ্ছে। চক্ষু লজ্জায় ক’ষ্টগুলো প্রকাশও করতে পারছেন না। একটি দোকানের ম্যানেজার হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি।

আর্থিকভাবে পরিবার নিয়ে ভালোই ছিলেন তিনি। মা-বাবা, দুই ছে’লে-মে’য়ে ও স্ত্রী’কে নিয়ে থাকেন ভাড়া বাসায়। মাসিক যে বেতন পেতেন তাতেই সংসারটা ভালো’ভাবে চলে যেত। কিন্তু তার কোনো সঞ্চয় নেই। গত কয়েক বছর ব্যবসা করলেও এমন সং’কটে কখনোই পড়েননি তিনি। ১০ দিন ধরে দোকান বন্ধ। হাতে কিছু টাকা ছিল তা দিয়ে কিছু বাজার করেছেন। করো’না পরি’স্থিতির কারণে ক’ঠিন অনি’শ্চয়তায় পড়ে অন্ধকার দেখছেন চোখেমুখে।

বাসা ভাড়া, সংসার খরচ এসব কিভাবে জুটবে সেই চিন্তায় ঘুম আসে না তার। স্ত্রী’ ও সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে বিলাপ করা ছাড়া আর পথ দেখছেন না তিনি। একজন কসমেটিকস ব্যবসায়ী বলেন, উচ্চবিত্তদের তো আর্থিক সম’স্য না হওয়ায় স্বাচ্ছন্দে জীবনজা’পন করছেন। নিম্নবিত্তের লোকজন তো সরকারি ত্রাণ পাচ্ছে, বেসরকারি সহায়তা পাচ্ছে। কিন্তু মধ্যবিত্তের কী’ হবে? তার ঘরে খাবার শেষ হয়ে আসছে। তারা এখন অল্প অল্প করে খাচ্ছেন।