• ঢাকা
  • সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ | ১০ কার্তিক, ১৪২৭ | ৯ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

বিকাল ৪:১৩

সূর্যমুখী হাসি ফুটিয়েছে চরের চাষির মুখে


Share with friends

কুড়িগ্রামের বিভিন্ন চরে সূর্যমুখী চাষ হচ্ছে। অন‌্যান‌্য ফসলের তুলনায় এতে লাভ বেশি হওয়ায় চাষিরা সূর্যমুখী চাষে আরো বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। তাদের সহযোগিতা করতে নানা উদ‌্যোগ নিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

Home2 Side ads

কৃষকরা বলছেন, সরকারি সহযোগিতায় সূর্যমুখী চাষের প্রসার ঘটানো ও সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হলে পাল্টে যেতে পারে অবহেলিত চরাঞ্চলগুলোর দৃশ্যপট।

Home2 Side ads
Home2 Side ads

চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রামের বেশকিছু কৃষক চরাঞ্চলের জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছেন। চরাঞ্চলের ধু ধু বালু মাটিতে এখন সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এবার কুড়িগ্রামে বিভিন্ন চরে ২২ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। সূর্যমুখী বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৬ মেট্রিক টন। বীজ ও সার সরবরাহের পাশাপাশি নানাভাবে সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করছে কৃষি বিভাগ।

কুড়িগ্রাম জেলা সদরের কৃষক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, কৃষি বিভাগের সহায়তায় আমি ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নে ধরলা নদীর তীরবর্তী চরে এ বছরেই প্রথম ৭ একর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। প্রথমদিকে আশঙ্কা থাকলেও এখন ফুল দেখে মন ভরে গেছে। তবে হারভেস্ট মেশিন ছাড়া সূর্যমুখী বীজ সংগ্রহ করতে সমস্যা হচ্ছে।

ভর্তুকি মূল্যে হারভেস্ট মেশিন সরবরাহে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন আবু বকর সিদ্দিক। ন‌্যায‌্য মূল্য পেলে বেশষ লাভবান হবেন বলে আশাবাদী তিনি।

জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উমর ফারুক বলেছেন, কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলগুলোতে সূর্যমুখী চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে তা বদলে দেবে এ অঞ্চলের কৃষিচিত্র।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সূর্যমুখী চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা আছে। আমরা কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উৎসাহ দিচ্ছি।

ভেজাল ভোজ্য তেল পরিহার করে সূর্যমুখী তেল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোস্তাফিজার রহমান প্রধান বলেন, প্রতি কেজি সূর্যমুখী বীজ থেকে আধা লিটার তেল উৎপাদন করা সম্ভব। আশা করা হচ্ছে, চরাঞ্চলে প্রতি বিঘা জমিতে ৪ থেকে ৬ মণ সূর্যমুখী বীজ উৎপাদন হবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন চরে সূর্যমুখী খেত পরিদর্শন করেছেন। চরাঞ্চলের পতিত জমিগুলোতে সূর্যমুখী চাষ বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

চরাঞ্চলের কৃষকরা জানিয়েছেন, আবহাওয়া প্রতিকূল না হলে এবার সূর্যমুখীর ফলন ভালো হবে। সহজে বীজ পাওয়া গেলে আগামী মৌসুমে সূর্যমুখীর আবাদ বাড়বে।

single page ads 3