• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২১ | ২১ ফাল্গুন, ১৪২৭ | ২২শে রজব, ১৪৪২ হিজরি

রাত ১০:০৯

স্বামীর সঙ্গে দূরত্বের কারণেই অ’নৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে নেহা


Share with friends

রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছা’ত্রীর মৃ’ত্যুর র’হস্যজট এখনো খোলেনি। পরিবারের অ’ভিযোগ, ওই ছা’ত্রী ধ’র্ষণের শিকার হয়েছেন।

Home2 Side ads

অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, বিষক্রিয়া ওই ছা’ত্রীর মৃ’ত্যুর কারণ হতে পারে। এ ঘটনায় গ্রে’প্তার ভুক্তভোগীর বান্ধবী ফারজানা জামান ওরফে ডিজে নেহা পু’লিশের জিজ্ঞাসাবাদে নিজের অন্ধকার জগত স’ম্পর্কে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন।

Home2 Side ads
Home2 Side ads

বৃহস্পতিবার গ্রে’প্তারের পর শুক্রবার ৫ দিনের রি’মান্ডে নিয়ে নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মোহাম্ম’দপুর থা’না পু’লিশ। রোববার রি’মান্ডের তৃতীয় দিনে নেহার ফোনবুকে পু’লিশ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ডজনখানেক শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীর নম্বর পেয়েছে। যেগুলো সাংকেতিকভাবে সংরক্ষণ করা। এসব ধর্নাঢ্যদের অনেকের কাছে ম’দ, তরুণী সরবরাহ করতেন তিনি। কখনও কখনও নেহা নিজেই তাদের সঙ্গ দিয়েছেন। বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে হাতিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা।

সূত্র জানায়, ভালো লাগা তরুণী-তরুণীদের একান্তে মিলিত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ঢাকা ও ঢাকার বাইরের একাধিক আবাসিক হোটেল এবং রিসোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ ছিলো নেহার। তাছাড়া নেহার এসব পার্টিতে মা’দক সরবরাহ করত অ’বৈধ মা’দক কারবারিরা।

গত মাসের শেষ দিকে ম’দ পানের পর অস্বাভাবিকভাবে মা’রা যায় ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছা’ত্রী মাধুরী ও তার বন্ধু আরাফাত। এ ঘটনায় মা’মলা হলে আলোচনায় চলে আসেন নেহা।

মা’মলার অ’ভিযোগে বলা হয়, ২৮ জানুয়ারি বিকাল ৪টার দিকে ম’র্তুজা রায়হান ওই শিক্ষার্থীকে নিয়ে মিরপুর থেকে স্কুটার করে লালমাটিয়ায় আরাফাতের বাসায় নিয়ে যান। পরে আরাফাত, ওই শিক্ষার্থী ও রায়হান একসঙ্গে উবারে করে উত্তরার তিন নম্বর সেক্টরের প্যারাডাইস টাওয়ারের ‘বাম্বুসুট রেস্টেুরেন্টে’ যান। সেখানে আ’সামি নেহা, শাফায়েত জামিলসহ (২২) আ’সামিরা ম’দ পান করেন এবং ভিকটিমকে ম’দ পান করান।

একপর্যায়ে ভিকটিম অ’সুস্থবোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্ম’দপুরে বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে রায়হান ভিকটিমকে ধ’র্ষণ করেন। ধ’র্ষণের পর রাতে ভিকটিম অ’সুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেয়। অসিম পরদিন এসে ভিকটিমকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান ম’র্ডান মেডিকেল কলেজে হাসপাতা’লে ভর্তি করেন। দুইদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ভিকটিম মা’রা যান।

এ ছাড়া তার সঙ্গে থেকে ম’দপান করা আরও এক সহপাঠী আরাফাত রাজধানীর সিটি জেনারেল হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা গেছেন।

এ ঘটনায় ম’র্তুজা রায়হান চৌধুরী ও বান্ধবী নুহাত আলম তাফসীরকে গ্রে’প্তার করে পু’লিশ। এ ছাড়া শাফায়াত নামে অ’পর আ’সামি আ’দালতে আত্মসর্ম্পণ করেন। তাকে আ’দালতের মাধ্যমে জে’ল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এই মা’মলার সর্বশেষ আ’সামি নেহাকে আজিমপুরের একটি বাসা থেকে গ্রে’প্তার করে পু’লিশ।

তথ্য প্রযু’ক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তাকে গ্রে’প্তার করা হয়। নেহার অ’প’রাধ নেটওয়ার্কিংয়ে মাধ্যমেই উল্লেখ্য ৫ জন একে অ’পরে বন্ধুতে রূপান্তরিত হয়ে বলে জানা গেছে।

নেহা স’ম্পর্কে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, প্রতিদিন ওয়েস্টার্ন দামি দামি সব ড্রেস পড়ে বার ক্লাবে যেতো ডিজে নেহা। ব্যবহার করতো দামি ব্রান্ডের সব মেকআপ। আর এমন রূপের ঝলক দেখিয়ে আয়োজন করতেন ডিজে পার্টির। সেই পার্টিতে নিয়ে আসা হতো ধনী পরিবারের সন্তানদের। সেখান থেকে অ’নৈতিক কার্যকলাপ। এটাই ছিলো নেহার আয়ের উৎস।

গত শুক্রবার নেহাকে ৫ দিনের রি’মান্ডে আনে পু’লিশ। সে জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে। পরিবার ও স্বামীর সঙ্গ দূরত্বের কারণে সে এমন অ’নৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, রাজধানীতে যারা এধরনের অ’প’রাধের সঙ্গে জ’ড়িত তাদের বি’রুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে পু’লিশ। সেই সঙ্গে এই বিষাক্ত ম’দ কোথা থেকে এসেছে। নেহার সঙ্গে আর কারা জ’ড়িত তাদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

single page ads 3