• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১৪ আশ্বিন, ১৪২৭ | ১২ই সফর, ১৪৪২ হিজরি

দুপুর ১:৪৫

৩০ বছর ধরে মৃ’ত স্বামীর অবসর ভাতা জমিয়ে তারই নামে একটি ম’সজিদ বানিয়েছেন স্ত্রী’


Share with friends

মৃ’ত স্বামীর অবসর ভাতা জমিয়ে তারই নামে একটি ম’সজিদ বানিয়েছেন এক সৌদি নারী। ওই নারীর এমন পদক্ষেপের ছবি সোমবার তার ছে’লে টুইটারে প্রকাশ করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছে’লে মোহাম্ম’দ আল হারবি ওই ছবি প্রকাশ করার পর অনেকে প্রশংসা করেছেন। আল হারবি টুইটারে যে ছবি প্রকাশ করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে, তার মা নতুন বানানো ম’সজিদ প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছেন।

Home2 Side ads

ছবির নিচে আল হারবি লিখেন, তুমি কতো মহৎ, মা…তুমি কখনও আমা’র মৃ’ত বাবার অবসর ভাতা ভোগ করনি। আমা’র বাবার নামে ম’সজিদ বানানোর আগ পর্যন্ত গেলো ৩০ বছর ধরে এই টাকা জমিয়েছ। আমা’র বাবা শান্তিতে থাকুন এবং আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন। আল হারবি ওই টুইট করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটি ভাই’রাল হয়ে যায়।

Home2 Side ads
Home2 Side ads

অনেকে ওই ছবি শেয়ারও করেন। একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, আল্লাহ তাকে ও তার স্বামীকে পরকালেও এক করুন। আরেকজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন, এটি ভালোবাসার সর্বোচ্চ রূপ। সূত্র: অনলাইন থেকে সংগৃহীত।

নিম্নে আরো পড়ুন: ব্যাপক গবেষণা ও নবী-রাসুলদের জীবনী পড়ে ইতালিয়ান মে’য়ের ইস’লাম গ্রহণ

যুগ যুগ ধরে ইস’লামের সোনালী আদর্শে অনুপ্রা’ণিত হয়ে ইস’লামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন অগণিত মানুষ।ধনী-গরিব, উঁচু-নিচু, শিক্ষিত কিংবা অক্ষরজ্ঞানহীন কেউ বাদ যায়নি এ তালিকা থেকে। ইতালির রোমের অধিবাসী নারী মনোবিজ্ঞানী রোক্সানা ইলিনা নেগ্রা।ই’রানের মাশহাদ শহরের বিখ্যাত সাধক ই’মাম রাজার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে তিনি

ইস’লাম গ্রহণ করেন।ইস’লাম গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা ও নবি-রাসুলদের জীবনাচার পড়েই ইস’লামের সুমহান আদর্শে অনুপ্রা’ণিত হতে থাকেন।পবিত্র কুরআন অধ্যয়ন করে ইস’লামের আলোকিত জীবনে নিজেকে সাজাতে উদ্বুদ্ধ হন। আর তাতেই পেয়ে যান ইস’লামের সুমহান সত্যের দাওয়াত।রোক্সানা ইলিম নেগ্রার ভাষায়, ‘আমি মনোবিজ্ঞানের ছাত্র। আমি সব সময় শান্তির জন্য, সৃষ্টিক’র্তার সঙ্গেঘনিষ্ঠতার জন্য এবং অ’সুস্থতা থেকে নিরাময়ের উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা ও গবেষণা করেছি।

সব কিছু সুন্দর সমাধানে ইস’লামকেই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য হিসেবে পেয়েছি। ইস’লামেই রয়েছে সব কিছুর সঠিক সমাধান।’তিনি আরো বলেন, ‘ইস’লামের প্রধান ইবাদত ‘নামাজ’ অনুশীলন দুনিয়াতে প্রশান্তি লাভের অন্যতম সেরা মাধ্যম।যা মানুষ আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমে লাভ করে থাকে। নামাজের অনুশীলন পদ্ধতিও তাকে ইস’লাম গ্রহণে আরো বেশি উদ্বুদ্ধ করে।

ইস’লামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে করতে তিনি এ কথা বুঝতে সক্ষম হন যে, ইস’লামই একমাত্র পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। শান্তি ও নিরাপত্তায় পরিপূর্ণ সত্য ও সঠিক জীবনাচার।মাত্র ১২ রাকাত নামায, অথচ বিনিময় জান্নাতে ঘর!টিবিটি ধ’র্ম ও জীবনঃ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে শয়তানের অনুসরণ থেকে বারণ করেছেন আর রাসুলুল্লাহ সা. আমাদের বলে দিয়েছেন,“তোমা’র ঈ’মানকে খাঁটি করো, অল্প আমলই নাজাতের জন্য যথেষ্ট হবে।”

পাশাপাশি তিনি খাঁটি ঈ’মানওয়ালাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে অল্প আমলেই জান্নাত লাভের বিভিন্ন অফার ঘোষণা করে রেখে গেছেন। তেমনই একটি হল মাত্র বারো রাকাত পড়লেই বান্দার জন্য জান্নাতে তৈরি করা হবে ঘর। হযরত উম্মে হাবীবা রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, তিনি বলেন,“আমি নবীজি সা. কে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি দিনে ও রাতে বারো রাকাত নামায পড়বে, বিনিময়ে তার জন্যে জন্যে জান্নাতে ঘর নির্মাণ করে রাখা হবে। (সহীহ মু’সলিম)

(এক) আম্মাজান উম্মে হাবীবা রা. বলেছেন:-হাদীসটা শোনার পর থেকে আমি আর বারো রাকাত ছাড়িনি!(দুই) আনবাসাহ বিন আবি সুফিয়ান রহ. বলেছেন:-আমি উম্মে হাবীবা থেকে হাদীসটি শোনার পর থেকে কখনো বারো রাকাত ছাড়িনি!(তিন) আম’র বিন আওস রহ. বলেছেন:-আমি আনবাসাহর কাছে হাদীসটা শোনার পর থেকে আমলটা বাকী’’ জীবনে আর ছাড়িনি!(চার) নু’মান বিন সালিম বলেছেন:-আমি আম’র বিন আওসের কাছে হাদীসটা শোনার পর থেকে আমলটা বাকী’’ জীবনে আর ছাড়িনি!এই বারো রাকাত হলো ফরযের অ’তিরিক্ত।

আরেকটি হাদীসে বিস্তারিত আছে: যে ব্যক্তি নিয়মিত অধ্যবসায়ের সাথে বারো রাকাত আদায় করে যাবে, তার জন্যে আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতে ঘর বানিয়ে রাখবেন!যোহরের আগে চার রাকাত। পরে দুই রাকাত। মাগরিবের পর দুই রাকাত। ঈশার পর দুই রাকাত। ফজরের আগে দুই রাকাত (আয়েশা রা.-নাসায়ী)।দুনিয়ার কত শত আয়েশি প্রাসাদের দিকে আম’রা আকৃষ্ট হয়ে থাকি, যার অধিকাংশই হয়ে থাকে আমাদের সাধ্যের অ’তীত।

কিন্তু দুনিয়ার এসবের সাথে তুলনাই হয় না এমন একটা নেয়ামতপূর্ণ জান্নাতি ঘরের মালিক বনে যেতে পারি অনায়াসেই।প্রতিদিন মাত্র বারো রাকাত নামায পড়লেই। এই হাদীসের একটা চ’মৎকার দিক হলো আগের জন থেকে পরের জন শোনার পর থেকেই আমলটা আর ছাড়েননি কখনও!উক্ত হাদীস স’ম্পর্কে আম’র বিন আনবাসাহ রহ. চ’মৎকার একটি কথা বলেছেন:

আনবাসাহ বিন আবি সুফিয়ান মৃ’ত্যুশয্যায় আমাকে বলেছেন: এই হাদীস মনে বড় আনন্দ দেয়। কতো সহ’জ আমল অথচ কী’’ অবিশ্বা’স্য প্রতিদান!রাব্বুল আলামিন আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুক- আমিন।

single page ads 3