• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ | ৯ কার্তিক, ১৪২৭ | ৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

সকাল ৬:০৯

৯৭ টাকার আদা ৩৫০ টাকায় বিক্রি


Share with friends

পেঁয়াজের পর এবার আদা নিয়ে শুরু হয়েছে অ’ভিনব প্র’তারণা। আসন্ন রমজান ও চলমান ক’রোনার প্রাদুর্ভাবকে পুঁজি করে মুনাফা লো’ভী ব্যবসায়ীরা আদা নিয়ে হরিলু’ট করছেন। এলসিতে আদার সবোর্চ্চ মূল্য ৯৭ টাকা। ওই আদা আম’দানিকারকরা ঢাকার বিভিন্ন পাইকারী বাজারে বিক্রি করছে ২৩৫-২৪০ টাকা। যা খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। ৯৭ টাকা আদা ভোক্তার কিনছেন ৩৫০-৩৬০ টাকায়।

Home2 Side ads

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর শ্যামবাজারে অ’ভিযান চা’লিয়ে এমন তথ্য পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। অ’ভিযান পরিচালনাকারী অধিদফতরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক (উপস’চিব) মনজুর মোহাম্ম’দ শাহরিয়ার জাগো নিউজকে বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীতে আদার দাম বাড়ছে। বি’ষয়টি তদারকির করতে পুরান ঢাকার শ্যামবাজরে অ’ভিযান চা’লানো হয়। অ’ভিযানে আদা আম’দানিকারকরা শুভঙ্করের ফাঁকি দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্র’তারণার প্রমাণ মেলে।

Home2 Side ads
Home2 Side ads

তিনি বলেন, অ’ভিযানকালে শ্যামবাজারে ফয়সাল এন্টারপ্রাইজে মূল্য তালিকায় আদার দাম ২৩৫ টাকা লেখা দেখা যায়। তাদের কাছে ক্রয় মূল্যের রশিদ অর্থাৎ কেজিপ্রতি কিনতে কত টাকা পড়েছে সেটি দেখতে চাওয়া হয়। এসময় তারা ক্রয় রশিদ দেখাতে পারেননি। তারা বলেন চট্টগ্রামের আম’দানিকারকরা আমাদের পণ্য দেয় আম’রা তা কমিশনে বিক্রি করি। আম’দানিকারক ২৩৫ টাকা কেজি বিক্রয় করতে বলেছেন- বলে জানান শ্যামবাজারের এ পাইকারি পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রামের ব্রাদার্স ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনাল থেকে ৪৫০ ব্যাগ আদা কিনেছে। রশিদ দেখাচ্ছে। কিন্তু রশিদে ব্যাগের সংখ্যা, পণ্যের ওজন, পরিবহন ভাড়া সব লেখা থাকলেও ক্রয় মূল্য লেখা নেই। এটিই শুভঙ্করের ফাঁকি। তারা মূল্য না লিখে ইচ্ছা মত দাম আদায় করছে।

অধিদফতরের এ কর্মক’র্তা জানান, আম’রা স’রকারি পণ্য আম’দানি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও বাণিজ্য ম’ন্ত্রণালয় থেকে জেনেছি দেশের আমাদনিকৃত আদার সর্বোচ্চ এলসি মূল্য ৯৭ টাকা। তাই অ’ভিযানকালে সরাসরি খাতুনগঞ্জের আম’দানিকারক ব্রাদার্স ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালকে ফোন করে আদার দাম জানতে চাওয়া হয়। এ সময় আম’দানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের এলসি আদার দাম পড়েছে কেজি ১০০ টাকা। খরচ নিয়ে দাম পড়ে ১১০ টাকা। তাহলে ২৩৫ টাকা কেন বিক্রি করছেন তার ব্যাখ্যা চাওয়া হলে কোনো সঠিক তথ্য জানাতে পারেননি। পরে আম’দানিকারক ফোনে ফয়সাল এন্টারপ্রাইজকে আদার কেজি সবোর্চ্চ ১২০ টাকা নির্ধারণ করে দেন।

বেশি দামে পণ্য বিক্রির অ’পরাধে ফয়সাল এন্টারপ্রাইসকে ২০ হাজার টাকা এবং মেসার্স আয়নাল অ্যান্ড সন্সকে পাঁচ হাজার টাকা জ’রিমানা করা হয়। একই দিন রাজধানীর মিরপুর শাহ আলী পাইকারি বাজারে অ’ভিযান পরিচালনা করেন অধিদফতরের উপপরিচালক মো. মাসুম আরেফিন। এ সময় অ’তিরিক্ত দামে আদা বিক্রর অ’পরাধে দশটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জ’রিমানা করা হয়। বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৬০ টাকায়। মাসের শুরুতেই পণ্যটির দাম ছিল ১৫০-১৬০ টাকা। ১৫-২০ দিনের ব্যবধানে আদার দাম বেড়েছে ১৫০-২০০ টাকা।

single page ads 3