• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৩:২৬

করোনার আগেই আমাদের ইন্ডাস্ট্রি লোকসানে ছিলো : রিয়াজ


Share with friends

বিশ্বব্যাপী ভ’য়ংকর আ’ঘাত এনেছে করো’নাভাই’রাস। যার শিকার প্রায় দুই লাখ মানুষ। এর মন্দ প্রভাব পড়ে’ছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। সিনেমা ইন্ডা’স্ট্রিতেও মন্দ প্র’ভাব পড়েছে। পৃথিবীর কোথাও কোনো শুটিং নেই, কোনো সিনে’মা’র মুক্তি নেই। একই অব’স্থা বাংলাদে’শের সিনেমা’তেও।

অনে’কেই ধারণা কর’ছেন কোটি কোটি টাকা লোকসা’নের মুখে পড়বে ইন্ডাস্ট্রি। তবে চিত্রনায়ক রিয়া’জ বললেন, খুব একটা ক্ষ’তি হবে না।

তিনি বলেন, ‘করো’না পরি’স্থিতিতে দেশের সব সিনেমা হল বন্ধ, সকল কাজই স্থগিত। এ দু’র্যোগ কা’টা’নোর পর খুব একটা লোকসান আমা’দের হবে বলে মনে হ’চ্ছে না। কারণ চলচ্চিত্র ইন্ডা’স্ট্রি ক’রো’নার আগেও যে বিশা’ল কিছু ছিল তা কিন্তু না। আ”গেও যা ছিল, এখনও তাই মনে হচ্ছে আ’মা’র কাছে।

১২০০ সিনে’মা হল থেকে মাত্র ৮০টি’তে নেমে এসেছে। সেটা তো কোন ভা’ই’রাস ছাড়াই নেমে এসেছে। ‘আগেই আমা’দের ইন্ডা’স্ট্রি লোক’সানে ছিলো। দি’নের পর দিন এখানে লো’কসান হয়েছে। ন’তুন করে বলার কিছু নেই।

তবে আমা’র কাছে খা’রাপ লাগছে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট মা’নুষজনের জন্য। যারা দিন আনে দিন খায়, শুটিং করে দিন’যাপন করে তা’দের জন্য এখন খুব কঠিন সময় যা’চ্ছে। তাদের জন্য বেশি খারা’প লাগছে।’ অসহায়, দি’নমজুর’দের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন দেশের বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিত্বরা। শোবিজের অসহায় মানুষদের পাশে আ’ছেন অনেক শিল্পী ও তারকারা।

কেউবা অসহা’য়দের পাশে সহা’য়তার হাত বাড়িয়ে অন্যদেরকে উৎসাহিত করতে সামজিক যোগা’যোগ মাধ্যমে নিজেদের কিংবা ত্রাণের ছবি পো’স্ট করেছেন। আবার অনেকেই সহায়তা করেছেন একান্তই গো’পনে। এ নিয়ে সামাজি’ক যোগাযোগ মাধ্য’মে অনেক কাঁদা ছোড়াছুড়িও হচ্ছে।

চিত্রনা’য়ক রি’য়াজ মনে ক’রেন দুই ভাবনার লোকরাই ভুল। সাহায্য করলেই যে দেখাতে হবে এমন কিছু নয়। আবা’র দেখালেই যে সাহায্য ছোট হয়ে গেল তাও নয়। এখন সংকট’কাল। সবাইকে এক হয়ে থাকা’র দিন।

তিনি বলেন, ‘এখন দেশের যে অবস্থা যাচ্ছে তাতে করে শুধু চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি নয়, টেলিভি’শন মিডি’য়াসহ পুরো দেশই খা’রাপ সময় পার করছে। এসময় অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো সবা’র দায়িত্ব। আ’মি আমা’র সেই দায়িত্ব’বোধের’ জায়গা থেকে কাজ করছি।

আর সবকিছু সা’মাজিক যোগা’যোগ মাধ্যমে দেখাতে হবে এমন তো কিছু না। আমি শুধু ‘সোশ্যাল অ্যাও’য়ারনেস’ স’ম্পর্কিত আপ’ডেটগু’লোই সামা’জিক যোগা’যোগ মাধ্যমে শেয়ার করছি। এছা’ড়া অন্য কিছু শেয়ার করার প্রয়োজন মনে করছি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেখলাম যারা ফেসবু’কে ত্রাণ সহা’য়তায় চাল-ডাল দেওয়ার ছবি দিতে দেখা যাচ্ছে না তাদেরকে নিয়ে অনেক লেখালেখি হচ্ছে। আসলে ঘরে বসে ফেসবুকে লেখালেখি করাটা তো খুব সহ’জ। এখন তো ঘরে বসে কোন কাজ নেই তাই ফেসবুকের বাটন চেপে যে যার মত যা খুশি লিখছে। ফেসবুকে এটাও দেখছি যে, ‘রাষ্ট্র কিভাবে চলবে’ সেটারও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন অনেকে। সর’কার আর প্রাইভেট কাজ চালানো তো এক জিনিস নয়। আর তা’দের কথায় আমা’র কিছু যায় আসে না। আমি কারও কথাতে নিজেকে পরিবর্তন করার পাত্র নই।

আমি কি করছি সেটা একা’ন্তই আমি জানি। আমি আমা’র সা’ম’র্থ্য ও সাধ্য অনুযায়ী কাজ করছি, সহায়তা করছি। আমি যাকে সহযোগিতা করছি সে উপ’কৃত হ’লেই আমি খু’শি। কে কি ভাবলো বা বলল সেটা নিয়ে আমা’র কোন মা’থাব্যথা নেই।

যারা নেগে’টিভিটি বলছেন বা লিখছে’ন, তারা তাদের বিচার’বুদ্ধিতে লিখ’ছেন। তাদেরটা আ’মা’র কাছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু না।’