• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

বিকাল ৫:০৭

করো’নার ছোবলে ছয় মিনিটের ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রী’’’’র মৃ’ত্যু


Share with friends

মন দেওয়া নেওয়া হয়েছিল অনেক আগেই।

তারপরই একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত। বিয়ের পর একসঙ্গে কে’টে গিয়েছে একান্ন বছর। ঝগড়াঝাটি, মন কষাকষি হয়েছে তবে দাম্পত্যে ছেদ পড়েনি।কিন্তু করো’না ভাই’রাস সেই স’ম্পর্কে কাটল ছেদ। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হল না।

স্বামীর মৃ’ত্যুর মাত্র ছ’মিনিটের মধ্যে প্রা’ণ হারালেন স্ত্রী’’’’ও। বাবা-মায়ের মৃ’ত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের সমীকরণের কথা ভাগ করে নেন দম্পতির ছে’লে। সে কাহিনি শুনে চোখে জল নেটিজেনদের।

ফ্লোরিডার বাসিন্দা বছর চুয়াত্তরের স্টুয়ার্ট বেকার এবং বাহাত্তর বছর বয়সি আন্দ্রিয়ান বেকারের একমাত্র ছে’লে সম্প্রতি একটি ভি`ডিও বার্তা পোস্ট করেন। ওই দম্পতির ছে’লে ভি`ডিওর মাধ্যমে বাবা-মায়ের জীবনের শেষ দিন কটার কথা উল্লেখ করেছেন।

বাড্ডি বেকার জানান, “বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই তার বাবার জ্বর আসছিল। ওষুধপত্র খাচ্ছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন সুস্থ হয়ে যাবেন। মা প্রতি মুহূর্তে বাবার খেয়াল রাখছিলেন। তারপর একদিন বাবার অ’তিরিক্ত জ্বর আসে।

ভর্তি করা হয় হাসপাতা’লে। একদিন আচ’মকা ওই বেসরকারি হা*সপা*তাল থেকে ফোন আসে। জানতে পারি বাবার শ`রীরে বাসা বেঁধেছে মা’রণ করো’না ভাই’রাস।মা তখন সুস্থই ছিলেন।

তবু সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনার কথা মা’থায় রেখে তাকে হাসপাতা’লে নিয়ে যাই। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যায়, মায়ের শ`রীরেও অক্সিজেনের মাত্রা কম। তাই তাকেও হাসপাতা’লে ভরতি করা হয়।”

বাড্ডি আরও বলেন, “বাবার অবস্থা ক্রমশ খা’রাপ হচ্ছিল। মা-বাবা দুজনে কাউকে ছেড়ে থাকতে চাইছিলেন না। তাই ওই বেসরকারি হা*সপা*তাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আম’রা সিদ্ধান্ত নিই তাদের একসঙ্গে রাখব।

একই কেবিনে দুটি আলাদা বেডে তাঁদর রাখা হয়। একদিন হা*সপা*তাল থেকে জানানো হয় বাবা মা’রা গিয়েছেন। সেই শোক সামলে উঠতে পারিনি তখনও তার মাঝেই শুনি মা’ও মা’রা গিয়েছেন।”বয়স বেড়েছিল।

তবে বেঁ`চে থাকাকালীন কোনও অশান্তিই বেকার দম্পতির জীবনে ছেদ কাটতে পারেনি। পরিবর্তে একসঙ্গে হাতে হাত রেখে জীবনের সুখ, দুঃখ ভাগ করে নিয়েছিলেন তারা। মৃ’ত্যুও আলাদা করতে পারল না তাদের।