• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৩ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ১১:২০

করোনা নিয়ে রাজশাহীবাসীর জন্য সুখবর


Share with friends

সারাদেশ যখন করোনা আতঙ্কে ভীত সেসময় রাজশাহীতে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগের কোনোরো,গী শনাক্ত হয়নি।

তবে করোনার উপসর্গ জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে রাজশাহীর সংক্রমণ ব্যাধি (আইডি) হা*সপা*তালে চারজনরো,গী আইসোলেশনে রয়েছেন। তারা করোনাআ,ক্রান্ত কি না তা পরীক্ষা করা হবে।

রাজশাহীমে,ডিকেল কলেজ (রামেক) হা*সপা*তালে করোনার চিকিৎসার জন্য গঠিত কমিটির নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক আজাদ বলেন, আইসোলেশনে থাকা চারজনরো,গীর মধ্যে তিনজন নতুন। এদের একজন রাজশাহী শহরের। একজন এসেছেন রাজশাহীর চারঘাট থেকে। অন্যজন এসেছেন পাবনা থেকে। তাদের প্রত্যেকে আলাদা আলাদা করে রাখা হচ্ছে। এদের বয়স ৩৫, ২৫ ও ১৮। প্রত্যেকেই মাস্ক পরে আছেন। চিকিৎসকরা সুরক্ষিত পোশাক পরেছেন।

তিনি জানান, আইসোলেশনে থাকা চারজনের মধ্যে একজন প্রচণ্ড আতঙ্কিত। তাকে কাউন্সিলিং করা হচ্ছে। ওষুধও দিতে হচ্ছে। আতঙ্ক মাঝামাঝি জায়গায় থাকলে ভালো। আতঙ্ক না থাকলে মানুষ অসচেতন থাকে, তখন ভাইরাস ছড়াতে পারে। কিন্তু আতঙ্ক তীব্র হলেরো,গীরা সমস্যায় পড়েন। এত তীব্র আতঙ্ক আমাদের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে।

ডা. আজিজুল হক আজাদ বলেন, মঙ্গলবারের মধ্যেই এই চারজনরো,গীর নমুনা পরীক্ষা করা হবে। কেউ যদিআ,ক্রান্ত শনাক্ত হন তবে তাকে কখনোই স’ন্দেহভাজনরো,গীদের সঙ্গে রাখা হবে না।

তিনি বলেন, আম’রা বেসরকারি কয়েকটি হা*সপা*তাল অধিগ্রহণের চেষ্টা করছি। এটা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অ’পেক্ষায় রয়েছে। কেউ শনাক্ত হলে তাকে প্রাইভেট হা*সপা*তালেই রাখা হবে। সেখানে কারও অবস্থা বেশি খা’রাপ হয়ে গেলে তাকে নিয়ে আসব রামেক হা*সপা*তালের ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে। এখানে কেউ সংকটাপন্ন হয়ে গেলে হা*সপা*তালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেয়া হবে।

পরিকল্পনা চূড়ান্ত উল্লেখ করে ডা. আজাদ বলেন, চিকিৎসকদেরও টিম করা হয়েছে। একজন চিকিৎসক টানা সেবা দিতে পারবেন না।আ,ক্রান্তরো,গীদের সাতদিন চিকিৎসা করার পর তাদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে পাঠাতে হবে।

তিনি বলেন, চিকিৎসক-নার্সসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিষয় বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তারা তাদের কর্তব্যস্থল থেকে কী’’ভাবে ফিরবেন, কোথায় কী’’ভাবে থাকবেন- প্রত্যেকটা বিষয় মা’থা রাখা হয়েছে। এই মুহূর্তে ১৫টি ভেন্টিলেটর রয়েছে। আরও পাঁচটি আসতে পারে।

এ সময় রামেক হা*সপা*তালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌসও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, করোনা পরীক্ষার জন্য উপজে’লা পর্যায় থেকেরো,গী রাজশাহীতে আসার দরকার নেই। কারণ, তিনিআ,ক্রান্ত হলে তা আরও ছড়িয়ে পড়ার আশ’ঙ্কা রয়েছে। গ্রামে কারও মাঝে জ্বর-সর্দি-কাশি-শ্বা’সক’ষ্টের মতো করোনার উপসর্গ দেখা দিলে উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই খবর দিতে হবে। সেখান থেকেই তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে।