• ঢাকা
  • শনিবার, ১৯শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ৯ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

দুপুর ২:৪১

চিত্রনায়িকা মিমের ৫০০ পরিবারের দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণায় এলাকায় ত্রা’ণ দিচ্ছে না কেউ


Share with friends

দৈনিক কালের কণ্ঠকে দুস্থ’দের ত্রা’ণ দেয়ার সাক্ষাৎকা’রে লা’ক্স-চ্যানেল আ’ই সু’পারস্টার ও বর্তমান সিনেমা জগ’তের আলো’চিত নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম বলেছেন, ‘মা’মা’র মাধ্যমে ৫০০ পরি’বা’রের দায়িত্ব নিয়েছি।’ রা’জশা’হীর বাঘা উপজে’লার মি’মের মামা বাড়ি এ’লাকায় ৫০০ পরিবা’রের দায়ি’ত্ব নেওয়ার কথা পত্রি”কায় প্রকাশ হও’য়ার ওই এলাকায় ত্রা’ণ নিয়ে যা’চ্ছেন না। অ’নাহারে অর্ধা’হা’রে কা’টা’চ্ছেন গ্রামবা’সীরা।

বিদ্যা সিনহা মিম ৩ এপ্রিল কা’লের কণ্ঠকে এক সা’ক্ষাৎকারে সা’তটি প্র’শ্নের উত্তর দেন। এর মধ্যে একটি প্রশ্নের জবা’বে মিম বলেন, ‘অনেক তারকাই করোনা মোকাবেলায় সাধারণ মানুষের পাশে এসে দা’ড়িয়ে’ছেন। তবে আমি শো অফ প’ছন্দ করিনা। তাই কেউ জানেও না। এর মধ্যে রাজশাহীতে ৫০০ পরিবা’রের দায়িত্ব নিয়েছি। আমা’র মামা’র মা’ধ্যমে নি’য়মিত তাদের ন’গদ টাকা ও খাবা’র দিচ্ছি। কিন্তু তার জন্য কি ছবি তুলতে হবে! মি’ডিয়াতে জা’নাতে হবে!’

এদিকে পত্রিকায় মিমের এই সাক্ষাৎকারের পর মামা’র বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজে’লার নারায়ণপুর গ্রামের লোকজন অ’বাক হয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হবার কয়েকদিন পর এলা’কার ১২৫ জনকে চার কেজি চাল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়েছেন। মি’মের মামা শি’ক্ষক স্বপন বলেন, আম’রা চেষ্টা ক’রেছি। এখন পর্য’ন্ত ১২৫ জন’কে আম’রা সহা’য়তা দিয়ে’ছি।

তবে মিম দা’য়িত্ব নেও’য়ার কথা বলেছেন, নিয়মিত সহা’য়তা দি’চ্ছেন এমন কথা বলার পর বিপাকে প’ড়েছেন ওই এলাকার মানুষজন। মিমের এমন ঘো’ষণা কাজে মিল না থাকায় ক্ষো’ভ প্রকা’শ করে’ছেন বাঘা উপজে’লা হিন্দু ঐক্য পরিষ’দের সভা’পতি সুজিত কুমা’র বাকুপাণ্ডে।

তিনি বলেন, ৫০০ পরিবা’রের দা’য়িত্ব মানে এক’দিনের চাল দেওয়া নয়, নিয়মিত খাবার স’রবরাহ সহ অ’ন্যান্য দায়িত্ব পালন করা। মিম দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিতে পা’রেন পত্রি’কায় আর দায়িত্ব নিতে পারছেন এ কেমন ক’থা? এখন তো এইসব গ্রামে কেউ ত্রাণ দিতে আ’সছে না, এর দায় কে নেবে?

নাম প্রকাশে অনি’চ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, ‘মি’মের মামা এবং চাচার বা’ড়ি একই গ্রামে। প্রকৃতপ’ক্ষে চাচারা গরিব, তাই মিম যা কিছু করে’ন সবই মা’দের মাধ্যমে।’

বড় মামা চন্ডি’পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্রী স্বপন শা’হা বলেন, আম’রা চার কেজি চাল, হাফ কেজি ডাল এবং এক কেজি করে আলু বিত’রণ করে’ছি। আ’মা’র কাছে তালিকা
রয়েছে। সূত্র: কালের কণ্ঠ