• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৩ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ১১:৪৭

ঢাকার যে এলাকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেশী, সতর্ক থাকুন এই এলাকা থেকে


Share with friends

করোনা আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা বেশী- করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) দেশে ইতোমধ্যেই ‘কমিউনিটি সং’ক্র’মণ’ হয়ে গেছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮২ জন করোনাভাইরাসে সং’ক্র’মিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৮০৩ জনে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার বাসাবো ও মিরপুরে সবচেয়ে বেশি সং’ক্র’মণ হয়েছে।

মোহাম্ম’দপুর, মিরপুর, বনশ্রী, নিকেতন, শান্তিনগর, ধানমণ্ডি ও পুরান ঢাকার অনেক এলাকার প্রবেশ ও বেরোনোর মুখে বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি করোনা আ’ক্রা’ন্ত শনাক্ত হয়েছে নারায়ণগঞ্জে। আইইডিসিআরের তথ্যে সেখানে ১০৭ জন করোনা আ’ক্রা’ন্ত।

আজ সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৫ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃ’ত্যুর সংখ্যা ৩৯।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন জে’লাতে করোনা যারা সং’ক্র’মিত করেছে তাদের বেশিরভাগই ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে গেছে। এ বিষয়ে আমাদেরকে আরো বেশি ক’ঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। লকডাউন জো’রদার করতে হবে। বিশেষ করে এই এলাকাগুলো।

তিনি বলেন, আমাদের ইতোমধ্যেই ‘কমিউনিটি সং’ক্র’মণ’ হয়ে গেছে, আপনারা জানেন। সেটি যাতে না বাড়ে সেদিকে আমাদের খেয়াল করতে হবে। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্তদের চিকিৎসায় নতুন আরো চার-পাঁচশ ভেন্টিলেটর ও চার-পাঁচশ অক্সিজেনারেটর সংগ্রহ করা হচ্ছে।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আ’ক্রা’ন্ত রোগীর সংখ্যা ১৮২ জন এবং মা’রা গেছে ৫ জন। এনিয়ে মোট আ’ক্রা’ন্ত রোগীর সংখ্যা গিয়ে দাড়ালো ৮০৩ জন। মোট মৃ’ত্যের সংখ্যা ৩৯। সোমবার (১৩ এপ্রিল) করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বৈশ্বিক ম’হামা’রি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও ১৮২ জন আ’ক্রা’ন্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এতে দেশে ভাইরাসটিতে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০৩ জনে। আ’ক্রা’ন্তদের মধ্যে মৃ’ত্যু হয়েছে আরও ৫ জনের। ফলে মৃ’তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে।

দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পু’লি’শ (ডিএমপি) রাজধানীর ৫৪ এলাকা লকডাউন করেছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া করোনাভাইরাস প্রতিরো’ধে অনেক এলাকায় বাড়ির মালিক এবং স্থানীয়রা পু’লি’শ ও প্রশাসনের অ’পেক্ষা না করে এলাকায় চলাচল সীমিত করেছেন। গৃহকর্মী, অ’তিথি এবং অচেনা কাউকে বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অনেকেই জানিয়েছেন।

দেশের বিভিন্ন জে’লায় যারা করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হচ্ছেন, তাদের বেশিরভাগই ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে আ’ক্রা’ন্ত ব্যক্তিদের সংস্প’র্শে ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল দেশের সব মেডিকেল কলেজের ডিরেক্টরদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। প্রায় সব জায়গায় দেখা গেছে, জে’লা পর্যায়ে যারা সং’ক্র’মিত হয়েছেন, তাদের বেশিরভাগই ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে আ’ক্রা’ন্ত ব্যক্তিদের (নিজ নিজ এলাকায় গেলে) মাধ্যমে সং’ক্র’মিত হয়েছেন। এ বিষয়ে আরও বেশি কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। লকডাউন জো’রদার করতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এলাকার।’

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে সরাসরি অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি সেনাবাহিনী, পু’লি’শ ও এ কাজে নিয়োজিত অন্যদের লকডাউন আরও বেশি কার্যকর করার আহ্বান জানান।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এখনও লকডাউনটা মানুষ পুরোপুরি মেনে চলছে না। আম’রা দেখি বাজারে জটলা পাকিয়ে আছে। অনেক লোক ঘোরাফেরা করছে। বাইরেও লোক অযথা ঘোরাফেরা করছে। এটি পরিহার করতে হবে। কা’রণ যেখানে বাইরে ঘোরাফেরা করবেন, সেখানেই সং’ক্র’মিত হবেন। আপনারা জানেন, ইতিমধ্যে আমাদের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়ে গেছে। এটা যেন না বাড়ে সেদিকে খেয়াল করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আম’রা হাসপাতাল ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনাকে মজবুত করছি। আমাদের বুঝতে হবে, হাসপাতালে লাখ লাখ লোকের চিকিৎসা কোনো দেশই দিতে পারে না। আমাদের সেদিকেই লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে আমাদের করোনা মোকাবিলার যে মূল অ’স্ত্র তা হলো ঘরে থাকা এবং পরীক্ষা করা।

তবে আনন্দের সঙ্গে বলছি, আম’রা আরও কিছু ভ্যান্টিলেটর ও অক্সিজেনের ব্যবস্থা করছি। পৃথিবীতে এখন এ জিনিসগুলো খুব একটা পাওয়া যাচ্ছে না। এরপরও আপ্রা’ণ চেষ্টা করছি, আম’রা অন্তত ৪-৫শ নতুন ভ্যান্টিলেটর ও ৪-৫শ অক্সিজেনের আনার চেষ্টা করছি।’