• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৪:৫৮

তাহলে তুই থানায় খবর দিয়েছিস! বলেই সাংবাদিককে উপর্যুপরি পেটাল পুলিশ


Share with friends

প্রকাশিত: ৩:৪৮ অপরাহ্ণ, ১৪ এপ্রিল ২০২০

করোনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এক বেসরকারি টেলিভিশনের বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি রিফাত আল মাহমুদ পুলিশের পিটুনিতে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোরেলগঞ্জ উপজেলার পোলেরহাট ফাঁড়ির দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাগেরহাট পুলিশ সুপার। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় মোরেলগঞ্জের ভাটখালী বাজারে। সাংবাদিক রিফাত আল মাহমুদ দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটন’র আপন ছোট ভাই।

রিফাত আল মাহমুদ জানান, ভাটখালী বাজারে লোক সমাগম বেশী হওয়ায় এবং কেউ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার নিয়ম মানছেন না এমন সংবাদের ভিত্তিতে টিভি প্রতিবেদন তৈরীর জন্য তিনি ভাটখালী বাজারে যান। সরেজমিনে সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় তিনি বিষয়টি মোড়েলগঞ্জ থানার ওসিকে জানান এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য টিম পাঠানোর অনুরোধ করেন। কিছুক্ষণ পরেই ফাঁড়ির এএসআই সাখাওয়াত হোসেন এবং ফয়েজ নামে একজন কনষ্টেবল বাজারে উপস্থিত হয়ে বাজারের লোকজনকে এলোপাথাড়ি পিটানো শুরু করেন। তাদের পিটুনিতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পিটুনির একপর্যায়ে সাংবাদিক রিফাত আল মাহমুদকে কনষ্টেবল ফয়েজ উপর্যুপরি পিটানো শুরু করেন। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলে কনষ্টেবল ফয়েজ আরো ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন, ‘তাহলে তুই থানায় খবর দিয়েছিস। তোদের মত সাংবাদিকের জন্য আমরা বিশ্রাম করতে পারি না।’ পরবর্তীতে স্থানীয় চৌকিদারসহ লোকজনের এগিয়ে এলে পিটানো বন্ধ হয়। এ ব্যাপারে মোরেলগঞ্জ থানার ওসি কেএম অজিজুল ইসলাম বলেন, ‘এসপি স্যারের কাছ থেকে আমি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।’ তিনি অনাকংখিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস দেন। বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, ‘এএসআই সাখাওয়াত হোসেন এবং কনষ্টেবল ফয়েজকে ফাড়ি থেকে কোজড করা হয়েছে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছে।’

আরএএস/সাএ