• ঢাকা
  • রবিবার, ২০শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৪:১৪

পা’কিস্তানে লাফিয়ে বাড়ছে করো’না সংক্রমণ, ভ’য়াবহ পরিস্থিতির শ’ঙ্কা


Share with friends

ভা’রতের পাশাপাশি পা’কিস্তানেও করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ বাড়ছে লাফিয়ে। চলতি সপ্তাহে পা’কিস্তানে করো’নায় আ’ক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড সংখ্যক বেড়েছে।

চলতি বছরের মা’র্চের প্রথম সপ্তাহে দেশটিতে করো’না রোগী ছিল ১৬ হাজার। কিন্তু শুধু এপ্রিল মাসেই এই সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ১ লাখ ৪০ হাজারে। শুধু এপ্রিলেই দেশটিতে করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়ে মা’রা গেছে প্রায় ৩ হাজার জন। করো’না মহামা’রি শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটিতে এক মাসে এটিই ছিল সর্বোচ্চ মৃ’ত্যু।

সরকারি তথ্য থেকে জানা গেছে, করো’না রোগীদের জন্য লাহোরের বড় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতা’লের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটগু’লির (আইসিইউ) বেডের সক্ষমতা ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত আছে ৯৩ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রদেশ পাঞ্জাবের কয়েকটি বড় শহরে অক্সিজেনসহ ভেন্টিলেটর এবং বেডের সক্ষমতা আছে ৮০ শতাংশ। খবর বিবিসির

সংক্রমণের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকলে পা’কিস্তানে করো’না রোগীদের হাসাপাতা’লে রেখে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না বলে আশ’ঙ্কা করছেন অনেকে। দেশটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনামন্ত্রী আসাদ উম’র ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, দেশটিতে যে পরিমাণ অক্সিজেন মজুদ আছে তার ৯০ শতাংশই সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশেরও বেশি অক্সিজেন ব্যবহার হচ্ছে হাসপাতালগুলোতে।

পা’কিস্তানের প্রধানামন্ত্রী ইম’রান খান বলেছেন, দেশটিতে ৯৬৩ জন মানুষের জন্য মাত্র একজন চিকিৎসক রয়েছেন। করো’না রোগীর সংখ্যা আরও বাড়লে দেশটিতে ভ’য়াবহ অবস্থা তৈরি হতে পারে বলে আশ’ঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

করাচির জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল সেন্টারের (জেপিএমসি) নির্বাহী পরিচালক ডা. সেমি জামালি বলেন, করো’নার দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরে মানুষজন ভেবেছিল এটাই শেষ। তারা মাস্ক পরা ও সামাজিক বিধিনিষেধ কিছুই মানেনি। এখন করো’নার আরও একটি ধাক্কা সামলানোর মতো আমাদের প্রস্তুতি নেই।

পা’কিস্তানে করো’নার প্রথম ধাক্কাটি আসে গত বছরের মে থেকে জুন মাসে। এর কয়েক সপ্তাহ পরেই দ্বিতীয় ঢেউ আসে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে এ বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত সংক্রমণের হার সেখানে অনেক বেশি ছিল।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সেখানে প্রথম করো’না রোগী শনাক্ত হয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে করো’নায় আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৪১ হাজার ছাড়িয়েছে। আর মৃ’ত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৪২৯ জনের।