• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

বিকাল ৪:৪৭

ভাড়াটিয়া তাড়ানো সেই বাড়ির মালিক গ্রেপ্তার


Share with friends

সেই বাড়ির মালিক গ্রে’প্তা’র- ভাড়া দিতে না পারায় ঝড়ের রাতে তিন শি’শুসহ এক দম্পতিকে বাসা থেকে বের করে দেয়ার ঘটনায় অ’ভি’যু’ক্ত বাড়ির মালিককে গ্রে’প্তা’র করেছে র‌্যা’­ব। নূর আক্তার সম্পা নামে বাড়িটির মালিক গ্রে’প্তা’র করা হলেও স্বামীকে পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে ধানমন্ডি থেকে সম্পাকে গ্রে’প্তা’র করা হয়। ঢাকা’টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যা’­ব-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর এইচ এম পারভেজ আরেফিন।

শনিবার মধ্যরাতে এক মাসের ভাড়া বকেয়া থাকায় রাজধানীর ধানমন্ডির কাঠালবাগান এলাকায় ভাড়াটিয়াকে বের করে দেয়া হয়। বাড়ির মালিকের কাছে অনেক অনুনয় বিনয় করলেও তাদের কোনো কথা শোনেনি বাড়িটির মালিক। ঝড়ের রাতে জো’র করে তিন শি’শুসহ তাদের বের করে দেওয়ার পর বাড্ডায় এক স্বজনের বাসায় ঠাঁই হয় পরিবারটির।

পরদিন পু’লি’শ ও র‌্যা’­ব বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির মালিকের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় ওই দম্পত্তি কলাবাগান থা’নায় একটি মা’ম’লা করেন। এরপর থেকে বাড়ির মালিক ও তার স্বামীকে খুঁজছিল আ’ই’নশৃঙ্খ লাবাহিনী।

সোমবার ওই পরিবারকে বাড়িতে তুলে দেয় র‌্যা’­ব সদস্যরা। কিন্তু তারপরও ওই দম্পত্তিকে বিভিন্নভাবে হু’ম’কি দেওয়া হচ্ছিল।

জানা যায়, ছোট দুই সন্তান ও কোলের দুই মাসের এক বাচ্চাসহ কলাবাগানের একটি বাসায় ছয় মাস আগে ভাড়াটিয়া হিসেবে উঠেছিলেন সেলিম হোসেন। তিনি একটি দোকানে কাজ করতেন। ক’রো’নাভা’ই’রা’সের কার’ণে তিনি এখন বেকার থাকায় এক মাসের ভাড়া দিতে পারছিলেন না।

কুলসুম-সেলিম দম্পতি জানান, তারা প্রতি মাসে ভাড়া পরিশোধ করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এক মাসের ভাড়া বকেয়া পড়েছে। এতে বাড়িমালিকের কাছে অনেক অনুনয় করেছেন। কিন্তু তাদের কোনো কথা শোনেননি। বরং রাতেই বাড়ির মালিক সম্পা মিথ্যার আশ্রয় নেয়। থা’নায় মৌখিক অ’ভি’যোগ করেন, তার ভাড়াটিয়া বাড়ি মালিককে মা’রধ’র করছেন। পরে পু’লিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে বিষয়টি মি’থ্যা।

এর আগে ক’রো’নাভা’ই’রা’সের এই পরিস্থিতিতে কাউকে বাড়ির মালিক হয়’রানি করলে ক’ঠোর ব্যবস্থার হুঁ’শি’য়ারি দিয়েছিলেন ডিএমপি কমিশনার মোহাম্ম’দ শফিকুল ইস’লাম।

এদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক’রো’নাভা’ই’রা’সে আ’ক্রা’ন্ত, ক’রো’না ঝুঁ’কিতে রয়েছেন কিংবা ক’রো’না প্রতি’রোধে কর্ম’রত কাউকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইলেও ওই বাড়ির গ্যাস-বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হবে।

গাজীপুরে ক’রো’না ছড়িয়েছে গার্মেন্টস মালিকদের কার’ণে !

লকডাউনের মধ্যে হাজার হাজার শ্রমিককে ফিরিয়ে এনে গাজীপুর জে’লায় করো’নাভাই’রাসের (কভিড-১৯) বিস্তারের জন্য গার্মেন্টস কারখানার মালিকদের দুষলেন জে’লার পু’লিশ সুপার শামসুন্নাহার। সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যু’ক্ত হয়ে তিনি প্রসঙ্গটি তোলেন।

গাজীপুর পু’লিশ সুপার বলেন, গত ৪ এপ্রিল পুনরায় কারখানা খুলে দেওয়ার নির্দেশের পর গার্মেন্টস শ্রমিকদের ফেরার আগ পর্যন্ত গাজীপুরে কোনো করো’না রোগী ছিল না।

তিনি বলেন, কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণার পরই করো’নাভাই’রাসের হটস্পট নারায়ণগঞ্জ এবং অন্যান্য জে’লা থেকে হাজার হাজার শ্রমিক গাজীপুরে ফিরে আসে এবং গাজীপুরকে খা’রাপ অবস্থার মধ্যে ফেলে।

শামসুন্নাহার বলেন, এই ঝুঁ’কিপূর্ণ সময়ে শ্রমিকদের পুনরায় ডেকে আনা উচিত হয়নি। এছাড়া এখনো অনেক শ্রমিক গাজীপুরে রয়েছে। কারাখানাগুলো এখনো তাদের মজুরি পরিশোধ করেনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুপারভাইজারকে দিয়ে শ্রমিকদের ফোন করানো হলো। এভাবে শ্রমিকদের ডেকে আনা কোনোভাবেই ঠিক হয়নি। মাইলের পর মাইল হেঁটে এসেছে। অনেক বাবা তার মে’য়েকে নিয়ে এসেছেন। গাড়িঘোড়া বন্ধ ছিল। শ্রমিকদের আনার ব্যবস্থা যেমন করা হবে, নেওয়ার ব্যবস্থাও করতে হবে।

গাজীপুরে শিল্প কারখানা খোলা রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লকডাউন নিশ্চিত করে সীমিত পর্যায়ে হলেও উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। সেটি কী’’ভাবে করা যায় নিশ্চিত করতে হবে।