• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৪:৪৬

মসজিদ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে যা বললেন আজহারী


Share with friends

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধ ম’সজিদে না গিয়ে মু’সল্লিদের ঘরে নামাজ পড়তে সরকার যে নির্দেশ দিয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সময়ের আ’লোচিত ইস’লামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী।

মঙ্গলবার আজহারীর ভেরিফায়েড পেজে দেয়া ওই স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হলো-

‘দেরি করে হলেও, একাধিক বৈঠক শেষে, সাধারণ মু’সল্লিদের ম’সজিদে না যাওয়ার ব্যাপারে ধ’র্ম মন্ত্রণালয়ের শক্ত সিদ্ধান্ত এসেছে। প্লিজ, এবার অন্তত সবাই ঘরে সালাত আদায় করুন। আসলে, ফতোয়া বা নির্দেশনা বেশি ঘুরিয়ে পেচিয়ে না বলে, যতটা সহ’জভাবে উপস্থাপন করা যায় ততোই ভালো। আরও আগে থেকেই যদি এই সিদ্ধান্তে আম’রা উপনীত হতে পারতাম, তাহলে হয় তো করোনা সংক্রমণ আরও কমানো যেত। তারপরও ধন্যবাদ জানাতে চাই এই টাইমলি ডিসিশনের জন্য।

আল্লাহ তায়ালা তার দ্বীনে কোনো কাঠিন্যতা রাখেননি। এটি একটি সহ’জ, সাবলীল ও পরিবেশ বান্ধব ধ’র্ম। এজন্যই ইস’লাম কালজয়ী। যুগ, সময় এবং কাল ছাপিয়ে এতটা অনন্য উচ্চতায় এজন্যই ইস’লামের অবস্থান যে, এটি যে কোনো যুগ বা সময়ের সঙ্গে সহ’জেই খাপ খেতে পারে।

ইস’লাম ধ’র্মের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল যে, এর বিধান পালন করা সহ’জ এবং সুবিধাজনক। এ ধ’র্মের কোনো বিধান কখনও সমস্যা তৈরি করে না বরং সমস্যার যুগোপযোগী সমাধান করে। আর এ সমাধান উপস্থাপন করার দায়িত্ব সম্মানিত আলেম ওলামাগণের।

কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত সমাধান সময় মত উপস্থাপন করতে যদি আলেম ওলামাগণ ব্যর্থ হন, তাহলে আলেম ওলামাগণ ধীরে ধীরে সমাজের জন্য অ’প্রাসংগিক হয়ে পড়বেন এবং সাধারণ ধ’র্মপ্রা’ণ লোকজনও আলেম ওলামাদের থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলবে। সে ক্ষেত্রে ইস’লামের কোনো দায়ভার নেই দায়ভার আমাদের।

কুরআন বলছে: ‘‘আর তিনি ধ’র্মের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোনো সংকী’র্ণতা রাখেননি”। [সুরা হ’জ্জ, আয়াত: ৭৮]

“তিনি তোমাদের জন্য সহ’জ করতে চান জটিল করতে চান না”। [সুরা বাকারাহ, আয়াত: ১৮৫]

তাই, আসুন সহ’জভাবে ইস’লামকে উপস্থাপন করি। সুদূরপ্রসারী চিন্তায় ও দূরদৃষ্টি ভাবনায় কুরআন ও সুন্নাহ থেকে রহমের বাণী তালা’শ করি।

ম’সজিদে জামায়াত আপাতত বন্ধ হলেও, আল্লাহ তায়ালা প্রতিটি ঘরকেই এখন ম’সজিদ বানিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!! তাই, এখনই সময় আত্নোপলব্ধির, রবের দিকে ফিরে আসার এবং প্রভুর দুয়ারে হাজিরা দেবার। পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাসায় জামায়াতে সালাত আদায় করুন। সমাজ বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ।’