• ঢাকা
  • শনিবার, ১৯শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ৯ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

দুপুর ২:২৬

মুসলমান হবার পর ইউসুফের ব্যাটে ধার বাড়ে: স্ট্রস


Share with friends

প্রকাশিত: ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ, ১৬ এপ্রিল ২০২০

পাকিস্তান ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ ইউসুফ খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণের পরই মানসিকতায় পরিবর্তন আসে বলে মনে করেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রস। দৃষ্টিভঙ্গি বদলের কারণে ইউসুফের খেলার ধরণেও উন্নতি হয় বলে জানান সাবেক ইংলিশ এই ব্যাটসম্যান। ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে বেশ হতাশ হয়ে পড়া স্ট্রস অনুপ্রেরণা খুঁজে পেয়েছেন মোহাম্মদ ইউসুফের ঘটনা থেকে। সম্প্রতি স্কাই স্পোর্টসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন সাবেক বাঁহাতি ইংলিশ ব্যাটসম্যান স্ট্রস। মাঝে খুব কঠিন একটি সময় পার করেছেন ইংলিশ এই কিংবদন্তি। চিন্তিত ছিলেন নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই। পুরো একটি বছর টানা নিজের সাথে লড়াই করতে হয়েছে বাজে সময়টাতে, প্রতি মুহূর্তে ভেবেছেন এই বুঝি বাদ পড়লেন। ২০০৮ সালে নেপিয়ারে ক্যারিয়ার সেরা ১৭৭ রানের ইনিংসটিতেই নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পান স্ট্রস। এর প্রেক্ষিতেই পেছনে ফিরে মোহাম্মদ ইউসুফের ধর্মান্তরিত হওয়াকে উদাহরণ হিসেবে টেনেছেন স্ট্রস। তার মতে ধর্ম পরিবর্তনের পর অসাধারণ একজন ব্যাটসম্যান থেকে রান মেশিনে পরিণত হয় পাকিস্তানি সাবেক এই ব্যাটসম্যান। যা অনুপ্রেরণা দেয় স্ট্রসকে, কাজে আসে তার নিজেরই ক্যারিয়ার বাঁচানোর ক্ষেত্রে।

৪৩ বছর বয়সী সাবেক ইংলিশ কাপ্তান বলেন, ‘আমি সবসময় মোহাম্মদ ইউসুফের উদাহরণটি ব্যবহার করতে পছন্দ করি। সে যখন ইউসুফ ইয়োহানা ছিলেন তখন তার টেস্ট গড় ছিল ৪০ এর কাছাকাছি। এরপর ধর্ম বদলে ধর্মপ্রাণ মুসলমান হয়ে দর্শনে পরিবর্তন আনেন। সৃষ্টিকর্তা যা চাইবে তাই ঘটবে এমন বিশ্বাস স্থাপন করেন। দৃষ্টিভঙ্গিতে বড়সড় পরিবর্তন আসে। এরপরের তিন বছরে টেস্টে সে ৭০ এর বেশি গড়ে রান করেছে। আর এটি জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলের ফল। ব্যাটিং ধরণে যে সে খুব একটা পরিবর্তন এনেছে তা নয় বরং ভাগ্য এক্ষেত্রে তার সহায়ক ছিল।’ তার নিজের জীবনে এসবের ভালো প্রভাব ছিল উল্লেখ করে ইংল্যান্ডের হয়ে ১০০ টেস্ট খেলা স্ট্রস বলেন, ‘আমি মনে করি এটি সত্যি আমার জন্য ভালো একটি দৃষ্টান্ত ছিল যখন আপনাকে সবকিছু চালিয়ে নিতে হবে। আমি যদি কোন তরুণ ক্রিকেটারের সাথে কাজ করতাম তবে অবশ্যই তাদের কাছে এসব দর্শন তুলে ধরতাম।’

কেএ/ডিএ