• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৩:১২

লকডাউন না মেনে মহা ধুমধামে সরকারি কর্মকর্তার বিয়ে


Share with friends

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় নারায়ণগঞ্জকে ঝুঁ’কিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে লকডাউন ঘোষণা করে বি’জ্ঞপ্তি জারি করে আই’এসপিআর। তবে লকডাউনের রাতেই (মঙ্গলবার) বিয়ে করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন শাহীন কবির নামে এক সরকারি কর্মক’র্তা। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আ’দালত শাহিন কবিরকে বাড়িতে না পেয়ে তার ছোট ভাইকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে সোনারগাঁ পৌরসভার গোচাইট গ্রামে বিয়ের ঘটনা ঘটে। ওই রাতেই পুরো নারায়ণগঞ্জ জে’লাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

এদিকে এই বিয়ে নিয়ে স্থানীদের মধ্যে রীতিমতো হইচই এর পাশাপাশি চলছে তীব্র সমালোচনা।

শাহীন কবির পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গোচাইট গ্রামের পিয়ার হোসেনের ছে’লে ও পৌরসভার পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক। তিনি বিয়ে করেন একই উপজে’লার সনমান্দি গ্রামের জামাল উদ্দিনের মে’য়ে নাদিয়া আক্তারকে।

স্থানীয়রা জানান, সরকারি ওই কর্মক’র্তার বিয়েতে বরযাত্রায় অংশ নেন প্রায় ৭০ জনের মতো নারী-পুরুষ। করোনাভাইরাসের মহামা’রির মধ্যে এ বিয়ের ঘটনায় এলাকাবাসীর দ্বারা অ’পমান অ’পদস্থও হন সরকারি ওই কর্মক’র্তা। এ সময় তিনি বরযাত্রী ও সদ্য বিয়ে করা স্ত্রী’কে রেখে পালিয়ে যান।

করোনাভাইরাসের এমন পরিস্থিতিতে একজন সরকারি কর্মক’র্তা ঘটা করে বিয়ে করার ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলের দিকে উপজে’লার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইদুল ইস’লাম পু’লিশসহ উপস্থিত হন সদ্য বিয়ে করা সরকারি কর্মক’র্তা শাহীন কবিরের বাড়িতে।

তবে ইউএনওর উপস্থিতি টের পেয়ে বাসর রাতে বর শাহিন কবির বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পরে ভ্রাম্যমান আ’দালতের মাধ্যমে ইউএনও সরকারি ওই কর্মক’র্তার ছোট ভাই সোহেল মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

সোনারগাঁ উপজে’লা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইদুল ইস’লাম বলেন, লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে একজন সরকারি কর্মক’র্তা কোনোভাবেই বিয়ে করতে পারেন না। এটি অন্যায় এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন তিনি।

ইউএনও আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে একজন সরকারি কর্মক’র্তার কাছ থেকে এটা প্রত্যাশিত নয়। তার বি’রুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মক’র্তাদের কাছে সুপারিশ করবেন বলে জানান তিনি।