• ঢাকা
  • রবিবার, ২০শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

রাত ৩:০৮

স্বপ্ন পূরনে বড় বাধা তাদের দারিদ্র্যতা


Share with friends

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) উপজেলা সংবাদদাতাঃ লেখাপড়া শিখে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখেন গৌরি রানী রায়। কিন্তু এতে বড় বাধা দারিদ্র্যতা। সামান্য আয়ের সংসারে ব্যয় মিটিয়ে তার বাবার পক্ষের দুই ভাই-বোনের লেখাপড়ার খরচ জোগানো দুঃসাধ্য ব্যাপার। অভাবের সংসারেও পরিশ্রমের মাধ্যমে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় উলিপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তিনি উলিপুর পৌরসভার পূর্ব শিববাড়ি গ্রামের সুনিল কুমার ও শান্তনা রানী দম্পতির প্রথম সন্তান। গৌরির ছোট ভাই স্থানীয় শিশু কানন বিদ্যা নিকেতনের শিশু শ্রেণির ছাত্র।

উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে ভালো কলেজে ভর্তি হতে চায় গৌরি। কিন্তু আর্থিক অভাব অনটনের কারণে কলেজে ভর্তি হওয়াসহ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নপূরণ হবে কিনা জানা নেই তার। উলিপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস কবীর রানু বলেন, গৌরি রানী রায় খুব কষ্ট করে লেখাপড়া চালিয়েছে। বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা ক্রমিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল তার। আমি সমাজের সহৃদয়বান ব্যক্তির কাছে তার উচ্চ শিক্ষার সহায়তার জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি। উপজেলার আর এক অদম্য মেধাবী ফাল্গুনি সুলতানা।

উলিপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। পৌর শহরের রামধাস ধনিরাম বলদিপাড়া গ্রামের ফুলজার রহমান ও শাহানাজ পারভীন দম্পতির সন্তান ফাল্গুনি। দারিদ্রতার সাথে লড়াই করে এসএসসি পাস করলেও উচ্চ শিক্ষা গ্রহন নিয়ে এখন দুচন্তিায় পড়েছেন ফাল্গুনি। তার পিতা ঢাকায় পোশাক শ্রমিকের কাজ করেন। সামান্য আয়ের সংসারে অভাব অনটন লেগেই থাকে তার মধ্যেও অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখে ফাল্গুনি। বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন তার।

ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবক হয়ে কাজ করতে চান। কিন্তু আর্থিক দৈন্যতার কারণে সে স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা তার উত্তর জানা নেই ফাল্গুনির। ফাল্গুনি সুলতানার মা শাহানাজ পারভীন জানান, স্বল্প আয়ের সংসারে খুব কষ্ট করে পড়াশুনা করে মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এতে পরিবারের সবাই খুশি। পড়াশুনার প্রতি ফাল্গুনির খুবই আগ্রহ কিন্তু অর্থের অভাবে ওর পড়াশুনা কতদুর চালিয়ে নিতে পারবে ওর বাবা তা জানি না।