• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

বিকাল ৪:২৩

৪ ঘণ্টা রাস্তায় পড়ে ছিল লাশ, ছুঁয়েও দেখেনি কেউ


Share with friends

দেশের প্রবালদ্বীপ সেন্টমা’র্টিনে মোহাম্ম’দ সলিম (৪৮) নামের এক জে’লের মৃ’ত্যু নিয়ে নানা ঘটনা ঘটেছে। বাড়ি থেকে চিকিৎসার জন্য বের হয়ে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে দ্বীপের পশ্চিম পাড়ায় এ জে’লে মা’রা যান। কিন্তু এ জে’লের মৃ’তদেহটি রাস্তায় পড়েছিল টানা ৪ ঘণ্টার মতো। করো’না আ’ক্রান্ত রোগী ভেবে কেউ যাননি পাশে।

৪ ঘণ্টা পর পু’লিশের তত্ত্বাবধানে কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানাজা শেষে এ ব্যক্তির দাফন করেন। তবে এ দাফন কার্যেও ছিল না পাড়া প্রতিবেশী, স্বজনরা।

মোহাম্ম’দ সলিম পেশায় একজন জে’লে। সেন্টমা’র্টিন পশ্চিমপাড়ার মো. হারুনুর রশিদের মালিকানাধীন ফিশিং বোটের মাঝি ছিলেন তিনি।

ফিশিং বোট মালিক হারুনুর রশিদ জানান, দীর্ঘবছর ধরে তার ফিশিং ট্রলারে মাছ ধ’রার কাজ করেন সলিম। তিনি মাঝে মধ্যে অ’সুস্থ হয়ে পড়ায় মাছ ধরতেও যেতে পারতেন না। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অ’সুস্থতায় ভুগছিলেন।

সেন্টমা’র্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু বক্কর বলেন, সলিম অনেক দিন ধরে অ’সুস্থ। প্রায় সময় ডাক্তার দেখাতে টেকনাফ যেতেন। কয়েকদিন আগে তার খাবার ওষুধ শেষ হয়ে যায়। স্থানীয়ভাবে ডাক্তার দেখাতে সেন্টমা’র্টিন পশ্চিমপাড়া নিজ বাড়ি থেকে সলিম সকাল ৮টায় বের হন। কিছুক্ষণ পর খবর পাওয়া যায় জিনজিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্বপাশে রাস্তায় পড়ে যান তিনি। সলিমের স্ত্রী’, ১ মে’য়ে, ১ ছে’লে রয়েছে।

টেকনাফ থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা প্রদীপ কুমা’র দাশ বলেন, সলিম করো’না আ’ক্রান্ত নন। কিন্তু এখন মানুষ ম’রলেই করো’নায় মৃ’ত্যু হয়েছে বলে ভ’য়ে আশপাশে আসে না। স্থানীয়রা করো’না আ’ক্রান্ত ভেবে লা’শটি কেউ ধরেননি। খবর পেয়ে পু’লিশের তত্ত্বাবধানে সাড়ে ১২টার দিকে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে। তারপরও যারা জানাজা ও দাফনের কাজ করেছে তাদের ১৫ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।